
ভুক্তভোগী তরুণী অভিযোগ করে বলেন, গত ২৬ মে রোববার ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিকেল চারটার দিকে তার কিছু মেডিকেল রিপোর্ট দেখার জন্য তাকে তার চেম্বারে ডেকে নেন নুর হোসেন পলাশ। চেম্বারে যাওয়ার পর তার মাস্ক খুলে তার নাকের কাছে কিছু একটা ধরে তাকে অবচেতন করে তার চেম্বারের পেছনে আলাদা কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বারবার পা ধরে ক্ষমা চেয়েও আমি তার হাত থেকে রক্ষা পাইনি। ধর্ষণ শেষে অভিযুক্ত নুর হোসেন আমাকে ছুরি দেখিয়ে এই ঘটনা কাউকে বলতে নিষেধ করেন। ভুক্তভোগী শুরুতে ভয়ের কারণে পরিবারের কাছে বিষয়টি গোপন রাখলেও, কয়েক দিন পর চিরকুট লিখে মাকে ঘটনাটি জানান। ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘আমি ছোট একটা চাকরি করে সংসার চালাই। যে আমার এই এতিম সন্তানকে এভাবে নির্যাতন করছে, আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল হক বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর মা বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।ওই মামলায় সোমবার সকালে আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
কিউএনবি/অনিমা/০২ জুন ২০২৪,/১১:৪১