বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : সহকারি প্রিসাইডিংসহ সাতজনের অপেক্ষা! মনে মনে প্রশ্ন কখন আসবে ভোটার। অপেক্ষার পালা ফুরালো। বেলা ৯টা ২২ মিনিট। অর্থাৎ ভোট শুরুর এক ঘন্টা ২২ মিনিট পর এলেন ভোটার। রীনা আক্তার নামে ওই নারী ভোটারকে আন্তরিকভাবেই সহযোগিতা করলেন সবাই। ব্যালট পেপারের সাথে নিজের এনআইডি কার্ড ভেতরে ফেলে দেওয়ার সময় সবার ডাক চিৎকারে তিনি থামলেন। বুঝানো হলো এনআইডি ফেলতে হবে না।
এ চিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এ ভোট কেন্দ্রটির ১২নং বুথে এক ঘন্টা ২২ মিনিট পর ভোট পড়ে। ওই সময়ে মোট ১২ বুথে ভোট পরে ১৩৪টি। মোট ভোটার ৪৯২৬ জন।
এমন ভোটার বিমুখ বিষয়ে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. এবাদুল হক একগাল হেসে বলেন, ‘মহিলারা হয়তো রান্না সেরে আসবেন।’ সময় বাড়ার সাথে সাথে ভোটার বাড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বেলা নয়টার দিকে কেন্দ্রটিতে দেখা হয় অতিরিক্ত পিলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মো. সিরাজুল ইসলামের সাথে। এ সময় ওনি সকল প্রার্থীদের কাচ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলে পুলিশ তৎপর হয়ে উঠে।বুধবারের প্রকৃতিটাও ছিলো গুমড়া ভাব নিয়ে। ঠিক ঢ়েম ভোটারের মতো। তবে হুইল চেয়ারে বসে নাতি হামিমকে ঠিকি আসেন আইয়ুব আলী। এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘১০ বছর ধরে অসুস্থ। কখন মরে যাই জানি না। তাই কষ্ট হলেও ভোট দিতে এলাম। বেলা নয়টার পরও এ কেন্দ্রে প্রার্থীদের এজেন্টরা আসেন। এজেন্ট এর নির্ধারিত কার্ড না থাকায় টুকরো কাগজে নাম লিখে তাদেরকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন প্রিসাইডিং অফিসার।