রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাইবান্ধায় রামমূর্তি নির্মান বন্ধ ও অপসারণের দাবিতে নওগাঁয় প্রতিবাদ সমাবেশ ‎লালমনিরহাটের মিশনমোড়ে ‘কনফিডেন্স ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার’-এর জমকালো উদ্বোধন রোনালদো সম্পর্কে এমনটি বলা ‘ছেলেমানুষি’ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট ৭১২ ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়তে পূবালী ব্যাংক পিএলসি রাণীশংকৈল উপশাখা, ঠাকুরগাঁও এর উদ্যোগে ৩ দিনব্যাপী ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন বুথ উদ্বোধন আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করলেন শিক্ষার্থীরা ৯ জুলাই খামেনির জানাজায় অংশ নেবে ২ কোটি মানুষ ভয়াবহ তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরুল হক নুরের

‘কেউ আমার ছেলে, বৌ, নাতিডিরে আইন্না দেও’

বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ।    
  • Update Time : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪
  • ১৪২ Time View
বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : মা হেলেনা বেগমকে জানানো হয় ছেলে অসুস্থ। তবে মায়ের মন ঠিকি টের পেয়েছে ছেলে বেঁচে নেই, ‘আমার ছেলেরে কেউ আইন্না দেও। কেউ আমার ছেলেরে আইন্না দিতারবা। আমার ত সব শেষ। ছেলে, বৌ, নাতি-নাতিন কেউ নাই। আমি অহন কেমনে বাঁচুম। তোমডা কেউ হেরারে আইন্না দেও।

ঢাকায় বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতে লাগা আগুনে পুড়ে মারা গেছেনে হেলেনা বেগমের ছেলে সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউছার, ছেলে বৌ স্বপ্না বেগম, নাতিন সৈয়দা ফাতেমা তুজজোহরা কাশফিয়া ও সৈয়দা নূর এবং একমাত্র ছেলে সৈয়দ আব্দুল্লাহ। আগুনে পুড়ে সবাই মারা গেছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের খন্দকার পাড়ায় এখন শোকের মাতম।

মাসখানেক আগে ইতালি থেকে দেশে এসেছিলেন প্রবাসী সৈয়দ মোবারক হোসেন। ইতালিতে ব্যবসা করতেন তিনি। সেখানে তার চারটি কসমেটিকস এর দোকান রয়েছে। মোবারক হোসেন স্থায়ীভাবে থাকার সুযোগ পেয়েছেন। স্ত্রী ও সন্তানদের সেখানে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ভিসাও হয়ে গিয়েছিল সবার। কিন্তু ইতালি আর যাওয়া হলো না তাদের। শুক্রবার তাদের গ্রামের বাড়িতে আসার কথা ছিলো। তারা আসতেছেন, তবে লাশ হয়ে। বেলা সাড়ে ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের লাশ নিয়ে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়েছেন স্বজনরা।

মোবারকের চাচাতো ভাই মেস্তাফিজ ও ফয়সাল জানান, পরিবারের সবাইকে নিয়ে ডিনার করতে গিয়েছিলেন মোবারক। সঙ্গে ছিল স্ত্রী স্বপ্না ও তিন সন্তান। আগুনে সবাই মারা গেছেন। আরেক আত্মীয় নেসার আহমেদ জানান, মোবারক পরিবারসহ ইতালিতে যাওয়ার ভিসা পেয়েছিলো। তিনি ছুটিতে এসেছিলেন সবাইকে নিতে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামে একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে ৩০ জনের বেশি মারা যায়।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০১ মার্চ ২০২৪,/বিকাল ৪:৩৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit