আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কাফনে মোড়ানো লাশ। আশপাশে অসংখ্য মানুষ। কেউ ছবি তুলছে, কেউ আবার শেষবারের মতো একটু ছুঁয়ে দেখতে চাইছে। তবে শোকে পাথর হয়ে গেছে সামনে থাকা দুজন। একজন জীবন চলার সঙ্গী। অন্যজন জন্মদাতা পিতা।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার সংবাদ সংগ্রহের কাছে মিসর সীমান্তবর্তী রাফাহে গিয়েছিলেন হামজা। তার সঙ্গে গিয়েছিলেন ভিডিও সাংবাদিক মোস্তফা তুরিয়া। তারা দুজনে একটি গাড়িতে ছিলেন—এই অবস্থায় ইসরাইলি বোমা তাদের গাড়িটিতে আঘাত হানলে তারা নিহত হন।
আলজাজিরা জানিয়েছে, যে এলাকায় অর্থাৎ রাফাহের আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরাইল ঘোষিত ‘নিরাপদ এলাকা’ বা সেফ জোনে অবস্থান করছিলেন হামজা ও মোস্তফা। জীবিত একমাত্র বড় ছেলেকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছেন ওয়ায়েল আল-দাহদৌহ। হামজার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার পরিবারের প্রায় সবাই নিহত হলো।
কিউএনবি/আয়শা/০৮ জানুয়ারী ২০২৪,/বিকাল ৫:৪৮