আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর এবারই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে মিয়ানমার জান্তা। চীন সীমান্তবর্তী শান রাজ্য এবং পশ্চিম রাখাইন রাজ্যে সামরিক ঘাঁটিতে জাতিগত বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলোর সমন্বয়ে গঠিত স্থানীয় প্রতিরোধ জোটের ক্রমাগত আক্রমণের মুখে পড়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
বেসামরিক ১০ নাগরিকের সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে অ্যামনেস্টি বলছে, রাখাইন রাজ্যের পাউক তাও-তে বেসামরিক নাগরিকেরা লুটপাট, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, অমানবিক আচরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
অ্যামনেস্টির ক্রাইসিস রেসপন্স প্রোগ্রামের পরিচালক ম্যাট ওয়েলস বলেছেন,সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণের নৃশংস প্রতিক্রিয়া হিসেবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কেবল রক্তক্ষয়ী হামলাই চালাচ্ছে না, তাদের জন্য রেখে যাচ্ছে বিধ্বংসী পরিণতি। এ ব্যাপারে জান্তার মুখপাত্র জাও মিন টুনের মন্তব্য পায়নি রয়টার্স। জাও মিন টুন এর আগে ‘সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে বৈধ পদক্ষেপ বলে অভিহিত অভিযানগুলোতে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।
কিউএনবি/আয়শা/২১ ডিসেম্বর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:১৯