আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কোরীয় উপদ্বীপে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা। একদিকে মার্কিন নেতৃত্বে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ মহড়া, অপরদিকে উত্তর কোরিয়ার পাল্টা ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা ও সাইবার হামলা। এসব নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে চলছে বাগযুদ্ধ।
এর মধ্যেই শুক্রবার (৭ এপ্রিল) দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পরমাণুক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি মধ্যস্থতাকারীদের বৈঠক। ত্রি-পক্ষীয় এ বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান তারা। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে প্রয়োজনে বৈঠকে বসতে প্রস্তুত বলেও এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। এছাড়াও উত্তর কোরিয়ার ক্রমাগত পরমাণু কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটির নাগরিকদের ধ্বংস ডেকে আনছে বলে জানিয়েছে সিউল।
কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূত কিম গুন বলেন, উত্তর কোরিয়া নিজের জনগণকে ভুলপথে পরিচালিত করছে। তারা মনে করছে, পরমাণু অস্ত্র যাদুর মতো সকল সমস্যা সমাধান করে দেবে। তবে এর মাধ্যমে দেশটির অর্থনীতি সংকুচিত হয়ে পড়ছে, নিরাপত্তা ঝুকিঁ বাড়ছে এবং গোটা বিশ্ব থেকে ক্রমাগত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা সাইবার হামলা চালিয়ে বড় অঙ্কের ক্রিপ্টোকারেন্সি হাতিয়ে নেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে এসব মুদ্রা নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত দেশটির অস্ত্র উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে গত মার্চ থেকে কোরীয় উপদ্বীপে কয়েক দফা সেনা ও নৌমহড়া চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) পিয়ংইয়ং সতর্ক করে জানায়, এসব মহড়ার মাধ্যমে ওয়াশিংটন পরমাণু যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এসব মহড়ার জেরে গত কয়েক সপ্তাহে নতুন করে পরমানু অস্ত্র উন্মোচন ও আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষাসহ সামরিক তৎপরতা কয়েক গুন বাড়িয়েছে উত্তর কোরিয়া।
কিউএনবি/আয়শা/০৭ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৮:৩১