স্পোর্টস ডেস্ক : সাকিব আল হাসানকে নিয়ে নানাবিধ অভিযোগ। তিনি কোনো টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে আসেন না। এমনকি জাতীয় দলের বিশ্বকাপ যাত্রার আগে দলীয় ফটোসেশনেও অংশ নেন না। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সংবাদমাধ্যমে নানা নেতিবাচক তথ্য তুলে ধরে বোর্ডের বিরাগভাজন হন। আবার সেই তিনিই অনুশীলনে না এসে চলে যান বিজ্ঞাপনের মডেল হতে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে সাকিবকে টিম হোটেলে পাননি বিসিবি বস। আবার প্রথম ওয়ানডের পর দলকে উজ্জীবিত করতে প্রেসিডেন্টকে এসএমএস পাঠিয়ে তিনি চলে যান ব্যবসায়িক কাজ সারতে। আর তামিমের সঙ্গে ড্রেসিংরুমের কলহ তো আছেই।
বাংলাদেশের অনেক রেকর্ডের মতো এই ম্যাচসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জেতাতেও সবার ওপরে সাকিব আল হাসান। ওয়ানডেতে সাকিব মোট ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ হয়েছেন ২৫ বার। যেখানে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা তামিম হয়েছেন মাত্র ১৬ বার। পরের জায়গাটা ১২ বার জেতা মাশরাফীর। আর মুশির দখলে আছে ১০টা পুরস্কার। টি-টোয়েন্টিতেও সাকিব সেরা। তার ৯টা ম্যান অব দ্য ম্যাচের বিপরীতে রিয়াদের আছে ৫টা। একমাত্র টেস্টেই সাকিবের কাছাকাছি আছে কেউ একজন। এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হয়েছেন ছয়বার, আর মুশফিক পাঁচবার। স্বাভাবিকভাবেই তাই তিন ফরম্যাট মিলিয়ে সাকিবের কাছাকাছি নেই কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার। তার ৪০টার বিপরীতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তামিমের মাত্র ২২টা।
ইংলিশদের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে ২৫তম বারের মতো ম্যাচসেরা হয়ে সাকিব ছুঁয়ে ফেলেছেন নাথান অ্যাস্টল, তিলকারত্নে দিলশান ও ডেসমন্ড হেইন্সকে। তার ঠিক ওপরের জায়গাটায় আছেন এবি ও যুবরাজ। তাদের সংখ্যা ২৭।
তবে তিন ফরম্যাটে সাকিব ছাড়িয়ে গেছেন ওয়াসিম আকরাম এবং এবি ডি ভিলিয়ার্সকে। তাদের ৩৯টা পুরস্কার ছাপিয়ে সাকিবের সংখ্যা এখন ৪০। তবে এ তালিকায় সর্বোচ্চ আসনে বসে আছেন ভারতের ক্রিকেট ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকার। তার ৭৬টার পর আছে কোহলির ৬২টা এবং জয়সুরিয়ার ৫৮টা।
কিউএনবি/আয়শা/০৭ মার্চ ২০২৩,/রাত ৮:৫০