আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় চীনের গুপ্তচর বেলুন ওড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘অগ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি। খবর বিবিসির। অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, চীনা নজরদারি বেলুন ওড়ানো সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। কয়েক বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র–চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রাক্কালে চীনের এমন পদক্ষেপ দায়িত্বজ্ঞানহীন।
এদিকে চীন দুঃখ প্রকাশ করে বলেছে, বেসামরিক এই বেলুনটি আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল। প্রবল বাতাস এবং স্টিয়ারিং ক্ষমতার অভাবের কারণে বেলুনটি পরিকল্পিত গতিপথ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্যাট্রিক রাইডার বলেন, আমরা বেলুনটিকে লাতিন আমেরিকা অতিক্রম করতে দেখছি। আমরা এখন মূল্যায়ন করছি এটি আরেকটি চীনা নজরদারি বেলুন। বেলুনের সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে তিনি আর কোনো তথ্য দেননি।
নিরাপত্তা, তাইওয়ান এবং কোভিড -১৯ সহ নানা বিষয়ে আলোচনার জন্য ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি বেইজিং সফর করার কথা ছিল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের। বেলুন ওড়ানোর ঘটনার জেরে চীন সফর স্থগিত করেছেন তিনি। সম্প্রতি স্পর্শকাতর মার্কিন স্থাপনার ওপর দিয়ে একটি চীনা বেলুন উড়তে দেখে নড়েচড়ে বসে মার্কিন প্রশাসন। রহস্যজনক বেলুনটিকে কী করা হবে সেটি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। যুক্তরাষ্ট্র সন্দেহ করছে এটি ‘চীনা নজরদারি বেলুন’ এবং এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
পেন্টাগন জানিয়েছে, বেলুনটি বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের অনেক ওপরে ছিল। যা ভূমিতে থাকা লোকদের জন্য সামরিক বা শারীরিক হুমকি উপস্থাপন করেনি। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করবে তারা।
কিউএনবি/আয়শা/০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৫:৫৮