রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভুরুঙ্গামারীতে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা নেত্রকোনায় আদালতের আদেশ ঘিরে জমি নিয়ে উত্তেজনা, জোরপূর্বক দখলচেষ্টার অভিযোগ মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও গাছের চারা বিতরণ। মাটিরাঙ্গায় জোনের উদ্যােগে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসা বিষয়ক দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ উদ্বোধন। দাম বাড়ল এলপি গ্যাসের, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২১০ পরিবার পেল কাজুকো ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের সিলেট টিটিসির প্রতারক ড্রাইভার বিল্লাল আটক, ২ ঘন্টার পর মুছলেকা দিয়ে মুক্তি রুট নেতৃত্বে ফেরায় অবাক গিলক্রিস্ট নওগাঁয় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু দুর্গাপুরে ৬৩ বোতল ভারতীয় মদসহ আটক ২

শিশুদের পাইলসের লক্ষণ, অস্ত্রোপচারে ঝুঁকি কতটা?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১২০ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : মলদ্বার দিয়ে রক্ত যাওয়া একটি জটিল সমস্যা। শিশুদেরও এ সমস্যা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা না দিলে বিপদ হতে পারে।

শিশুদের পাইলসের লক্ষণ ও অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বৃহদান্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক। 

পাইলস শিশুদেরও হয়। তবে প্রকৃত পাইলস শিশুদের কম হয়। পাইলস বলতে বোঝায় মলদ্বারে ফুলে ওঠা মাংসপিণ্ড বা গ্যাজ। অসংখ্য শিরা মিউকাস ঝিল্লির তলায় ফুলে ওঠার কারণে মাংসপিণ্ড ফুলে ওঠে এবং কখনো কখনো রক্ত যায়। 
হেমোরয়েড অর্থ হল টয়লেটে রক্ত যাওয়া। অভ্যন্তরীণ পাইলসে মাংসপিণ্ড না থাকলেও প্রচুর রক্ত যেতে পারে। অনেক বড় গ্যাজ আছে কিন্তু রক্ত নাও যেতে পারে। এ রক্ত যাওয়ার আবার তারতম্য আছে। তবে সাধারণত কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস পর পর রক্ত যায়। 

শিশুদের পাইলস হলে বড়দের চেয়ে বেশি রক্ত যায়। অভিভাবকরা শিশুদের যে পাইলসের সমস্যা অর্থাৎ টয়লেটে রক্ত গেলে চিকিৎসকের কাছে আসেন তাদের বেশিরভাগই পাইলস নয়। শিশুদের টয়লেটে রক্ত যাওয়ার প্রধান কারণ রেকটাল পলিপ। 
এটি এক ধরনের আঙুর ফলের মতো টিউমার, যা ক্যানসার নয়। এগুলো এক বা একাধিক হতে পারে এবং এরূপ শত শত পলিপ থাকতে পারে, যা থেকে সাধারণত রক্ত ও মিউকাস বা আম যায়। রোগীর অভিভাবকরা মনে করেন যে, এটি রক্ত আমাশয় এবং ওষুধ দিয়ে ভালো করা যাবে। রেকটাল পলিপ রোগের চিকিৎসা হচ্ছে এটিকে কেটে ফেলে দেওয়া। রোগীকে ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে এটি করতে হয়। অভিভাবকদের ভয়, ছোট শিশুকে অজ্ঞান করলে তার ক্ষতি হবে। কিন্তু রক্ত যাওয়ায় শিশুটি যে রক্তশূন্যতায় ভুগছে সেদিকে তাদের লক্ষ্য থাকে না।

রেকটাল পলিপ অপারেশনের জন্য শিশুকে কয়েক ঘণ্টা হাসপাতালে রাখলেই চলে। রোগীর পেট খালি করার জন্য আগের দিন কিছু ওষুধ দেওয়া হয়, যাতে পায়খানা ক্লিয়ার হয়। খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে অপারেশন করাই ভালো। এ জন্য রোগীকে ঘুম পাড়ানোর ইনজেকশন দিতে হয়। একটি বিশেষ ধরনের যন্ত্রের সাহায্যে টিউমারটি (পলিপ) কেটে আনা হয়। 

এ অপারেশনে মলদ্বারে কোনো কাটাছেঁড়া করা হয় না, তাই অপারেশনের পর ব্যথা হওয়ার প্রশ্নই আসে না। অপারেশনের দুই-তিন ঘণ্টা পর রোগী স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করতে পারে এবং বাসায় চলে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বহির্বিভাগীয় রোগী হিসেবে পরক্ষণেই চলে যেতে পারে। 

শিশুদের মলদ্বারে অন্য একটি সমস্যা হয়। এতে পায়খানা শক্ত হলে মলদ্বার ফেটে যায় এবং ব্যথা হয়। কিছুটা রক্তও যেতে পারে। কিছু দিন পর মলদ্বারে একটি গ্যাজ দেখা যায়। শিশু ব্যথার কারণে টয়লেটে যেতে ভয় পায়। এ রোগটির নাম এনালফিশার। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক মল নরম করার জন্য ওষুধ দেন, পানি, সবজি, সালাদ খেলে উপকার পাওয়া যায়, পায়ুপথে মলম লাগানো যেতে পারে। চুলকানি হলে কৃমির ওষুধও দিতে হবে। জন্মের পর পরই যে কোনো সময় এ রোগ হতে পারে।

কিউএনবি/অনিমা/০১.১২.২০২২/দুপুর ১.৩৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit