সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছোট ভাই জয়নাল আবেদীন বলেন, হত্যাকারী দীল হোসেন অপু ও নজরুল ইসলাম তারা সরকারি রাস্তার উপর ঘরবাড়ি করতে ছিলো। সেখানে আমি গিয়ে বাঁধা প্রদান করলে আমাকে প্রথম বেধড়ক মারধর করে খুনি নজরুল ইসলাম। পরবর্তীতে আমার বড় ভাই জমত আলী মন্ডলকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে তাকেও দিল হোসেন অপু ও নজরুল ইসলাম নাকে বুকে ঘুষি মেরে হত্যা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমি আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করি। কিন্তু আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে আসামি পক্ষ আগাম জামিন নিয়ে আসে এবং আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে দেওয়াসহ জানে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি প্রদান করে আসছে। তবে মামলার তদন্তকারীর কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক তাদের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণসহ আসামিদের গ্রেফতার করেন নাই। তাই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করে বলছি আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে যেন শাস্তি প্রদান করা হয়।
নিহতের ছেলে বাবুল অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ই আগস্ট রাস্তার কাজে বাঁধা দেওয়ার কারণে আসামি দিল হোসেন অপু ও নজরুল ইসলাম আমার বাবাকে বেধড়ক মারধর করে বুকে ও নাকে ঘুষি মেরে হত্যা করে। এমসয় আমার চাচা-ভাই বাঁধা দিলে তাদেরকেও মারধর করে। আমার ভাইকে বারী দিয়ে পায়ের হাড় ভেঙ্গে দেয়। কিন্তু মামলা করার পরও পুলিশ আসামীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। হত্যাকারীরা আগাম জামিন নিয়ে এসে আমাদেরকে ঘরবাড়ি ছাড়ার জন্য হুমকি ধামকি দিয়ে আমাদেরকে উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাসানোর চেষ্টা করছে। আমার বাবার হত্যাকারীদের বিচার চাই সরকারের কাছে।
উল্লেখ্যঃ গত ১৪ই আগস্ট আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার সরকারি রাস্তার ওপর জমির দেয়াল দিয়ে দখলের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে নিহত জমত আলী মন্ডল প্রতিবাদ করলে নজরুল ইসলাম ও দিল হোসেন অপুর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দেলোয়ার জম্মতের বুকে সজোরে আঘাত করে। এতে তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত নির্গত হলে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় নিহতের ভাই জয়নাল আবেদীন আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।