ডেস্কনিউজঃ সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ায় এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
বিশেষ করে আওয়ামী লীগ আমলে ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া এবং ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ‘মব জাস্টিস’-এর মুখে পড়ে তার পদত্যাগে বাধ্য হওয়ার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।
তাছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে কয়েক বছর আগে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে খুরশীদ আলমের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী। এই কাতারে জুলকার নায়েন সায়ের ও আকবর হোসেনের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও ইনফ্লুয়েন্সারও শামিল হয়েছেন।
এমনকি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতের সঙ্গে তোলা খুরশীদ আলমের পুরোনো ছবিও সামনে এনেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা।
ফলে ৫ আগস্টের পর থেকে নানা চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে এই নিয়োগ নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন দেখা দেয়।
এরই অংশ হিসেবে সোমবার (২৫ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম মানববন্ধন করে খুরশীদ আলমকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানায়।
এ সময় তারা এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
মানববন্ধন থেকে খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকে ঢুকতে দেওয়া হবে না—এমন হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে খুলনাসহ আরও কয়েকটি জেলায় এ ধরনের বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়। একই রকম হুঁশিয়ারি ফেসবুকেও দেখা গেছে।
দখল-বেদখলের প্রেক্ষাপট
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয় চট্টগ্রামভিত্তিক এস আলম গ্রুপ। চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ইসলামী ব্যাংক পুনর্গঠন করা হয়। এস আলমের প্রায় ৮৩ শতাংশ শেয়ার ব্লক করে রাখা হয়। ব্যাংকটিকে এস আলমমুক্ত করতে গেলে ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট রাজধানীর দিলকুশায় অবস্থিত ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বাইরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার সময় ২০১৭ সালের আগে ব্যাংকে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এর পরে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। গুলিতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
বিবাদ
২০২৪ সালের ১১ আগস্ট দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
এরপর ২২ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকে মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে চেয়ারম্যান করা হয়। তিনি আ. লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন। তার ভাই আ. লীগ সরকারের একজন সচিব ছিলেন। ব্যাংকটিতে যোগদানের এক বছর না যেতেই তিনি পদত্যাগ করেন। এর পরপরই অন্য একটি ব্যাংকের দায়িত্বে থাকাকালে সংঘটিত ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকাকালে নিয়োগ পাওয়া ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনিরুল মাওলা আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর প্রায় এক বছর পদ দখল করে থাকেন। অনেক নাটকীয়তার পর ২০২৫ সালের মে মাসে তিনি পদত্যাগ করেন। জুন মাসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের সাবেক প্রভাষক এম. জুবায়দুর রহমান। তবে তিনিও ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বগুলো সঠিকভাবে সমাধান করতে পারেননি। বরং এমডি ওমর ফারুক খাঁনের বিরুদ্ধে পাল্টা একটি প্রতিপক্ষ দাঁড় করানোর জন্য একচেটিয়াভাবে একজন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) নিয়োগ দেন। এএমডিকে ক্ষমতাশালী করতে বিভিন্ন কৌশল হাতে নেন। এতে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়ে। গত এপ্রিলে এমডিকে জোরপূর্বক ছুটিতে পাঠান চেয়ারম্যান। এর আগে থেকেই ব্যাংকটির এএমডি কামাল উদ্দীন জসিমের কার্যক্রমে মনে হতে থাকে তিনিই এমডি।
এই সময়ে ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ কর্মী ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। এস আলম গ্রুপের সময়ে নিয়োগ পাওয়া ৫ হাজার ৩৮৫ কর্মকর্তার যোগ্যতা ও দক্ষতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কর্মীকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয় এবং নিয়মবহির্ভূত নিয়োগের অভিযোগে কয়েকশ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এই চাকরিচ্যুতরা বেশিরভাগই একটি অঞ্চলের লোক এবং তাদের অনেকেরই ব্যাংকে চাকরি করার মতো শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল না। তবে চাকরি হারিয়ে তারাও মাঠে নামে। বিভিন্ন সময়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে তারা সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করে।
সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের এই দখল-বেদখলের বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংক দখল হয়েছে ইন্টেরিম সরকারের সময়, ব্যাংক দখল হয়েছে আওয়ামী লীগের সময়। তবে স্টাইলটা একটু ভিন্ন ছিল। কেউ সরকারি গোয়েন্দা ব্যবহার করে হোটেলে ডেকে নিয়ে ব্যাংক দখল করেছে, কেউ নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার বলে ব্যাংক দখল করেছে।’
ঢাকাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি থিংক অ্যান্ড ইকোনোমিক রিসার্চ সেন্টারের (পিটিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. মাজেদুল হক বাংলানিউজকে বলেন, ‘একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এভাবে চলতে পারে না। একসময়ে এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে থাকা এই ব্যাংকটিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে গ্রাহকের আস্থা অনেকটা নষ্ট হয়েছে। এরপরও ব্যাংকটির রেমিট্যান্স আহরণের কারণে এখনও অর্থনীতিতে, বিশেষ করে রিজার্ভ সমুন্নত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ব্যাংক একটি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া ছিল একটি অভিশপ্ত অধ্যায়। অর্থনীতির স্বার্থে, রাষ্ট্রের স্বার্থে ব্যাংকটি পুনরুদ্ধারে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি।’
চেয়ারম্যান নিয়োগে নতুন বিতর্ক
অভিযোগ রয়েছে, গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক খাঁনকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর দিলকুশায় ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। বিক্ষোভের মধ্যেই জুবায়দুরেরও পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ে। রাতে খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে যেসব আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে, সেসবের তদন্ত অনেক আগেই শেষ হয়েছে। ওই তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অভিযোগের সত্যতা পায়নি। ফলে জেনারেল ম্যানেজার (বর্তমানে পরিচালক পদ) থেকে ধাপে ধাপে নির্বাহী পরিচালক এবং ডেপুটি গভর্নর পদে নিয়োগ পান খুরশীদ আলম।
অতীতের কর্মদক্ষতা ও সততার মূল্যায়ন করেই খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্য দুই চেয়ারম্যানের তুলনায় এবার বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর একটি বেসরকারি চ্যানেলকে দেওয়া খুরশীদ আলমের সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারটি ফেসবুকে অনেক বেশি ভিউ হতে দেখা যায়। সেখানে তাকে বলতে দেখা যায়, ‘ইনশাআল্লাহ, ইসলামী ব্যাংক আবারও দেশের ১ নম্বর ব্যাংক হবে।’
এই বক্তব্যকে সামনে রেখে দেওয়া ‘সম্মিলিত ব্যাংক পরিবার’ নামের একটি পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে অনেকেই ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। তাদের মধ্যে একজন লিখেছেন, ‘ব্যাংকিং খাতের এক অনন্য বিজ্ঞ ও দূরদর্শী ব্যক্তিত্বকে নেতৃত্বে পেয়ে দেশবাসী অত্যন্ত আনন্দিত।’
মঙ্গলবার আবদুস সালাম কাজী নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী খুরশীদ আলমের সঙ্গে তার একটি ছবি পোস্ট করেন। তাতে দেখা যায়, গণসংহতি আন্দোলনের (জিএসএ) নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার দিন সেখানে উপস্থিত ছিলেন খুরশীদ আলম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি হাতিরপুলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইশতেহার প্রকাশ করে জিএসএ। পোস্টে খুরশীদ আলম ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ পাওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।
জানা গেছে, খুরশীদ আলমকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় তৎকালীন সরকার।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৭ আগস্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের রোষানলে পড়ে খুরশীদ আলমসহ চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন।
চাকরি জীবনেও খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তার কিছু সহকর্মী। বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর অফিসের জেনারেল ম্যানেজার (বর্তমানে পরিচালক পদ) থাকাকালে তার গৃহীত ছাদবাগান কর্মসূচিকে ঘিরে ওই অভিযোগ তোলা হয়। এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়নি।
অথচ এসব অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষোদ্গার দেখা যায়। বিবিসির সাংবাদিক আকবর হোসেন তার এক ভ্লগে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সখ্য ছিল এমন একজন লোককে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় একটা প্রশ্ন উঠেছে যে, তিনি (খুরশীদ আলম) ইসলামী ব্যাংকে এসে এস আলমের স্বার্থ রক্ষা করবেন কি না। একজন ক্লিন ইমেজের লোককে এখানে নিয়োগ দিলে এমন প্রশ্ন উঠত না।’
জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাংলানিউজকে বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে সরকার পরিবর্তনের পর ‘মব জাস্টিস’ করে খুরশীদ আলমকে পদত্যাগ করানো হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা দেখেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।’
বাংলানিউজকে দেওয়া তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের এই কাজটিকে ‘চ্যালেঞ্জিং’ বলে মন্তব্য করেন খুরশীদ আলম। একই সঙ্গে তিনি ব্যাংকটিকে সফলভাবে পরিচালনার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং তার ভিন্ন কোনো অভিসন্ধি নেই বলেও দাবি করেন।
মো. খুরশীদ আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদ থেকে স্নাতকোত্তর ও এমবিএ করেন। ১৯৮৮ সালে সহকারী পরিচালক পদে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দেন। ডেপুটি গভর্নর পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ, ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ, কৃষিঋণ বিভাগ, পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট, ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট, ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন, এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগ, সচিব বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। খুরশীদ আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
কিউএনবি/বিপুল/২৭.০৫.২০২৬/রাত ৮.৩৩