মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কড়া নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও এক চালান বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার সুযোগ এসেছে: প্রধানমন্ত্রী আইজিপি’র ‘ক্রসফায়ার’ সম্পর্কিত বক্তব্যের অপব্যাখ্যা অপরাধীদের উৎসাহিত করবে ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার ও অপসারণের দাবি টিআইবির পেছাল ইনডোর গেমস, আবার অনিশ্চিয়তায় এসএ গেমস স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে যে কারণে কেইনকে এগিয়ে রাখছেন বিশ্লেষকরা আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন প্রবাসীরা: আরিফুল হক এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ২২১৮ বঙ্গোপসাগরে শাক্তিশালী রুপ নিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

‘কিচেন কেবিনেট’ কী, এটি কেন আলোচনায়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬
  • ৬০ Time View

ডেস্কনিউজঃ যমুনা টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনায় নীতিগত ও কৌশলগত বড় সিদ্ধান্তগুলো সুনির্দিষ্ট একটি ‘সাত সদস্যের অনানুষ্ঠানিক প্রভাবশালী চক্র’ বা কিচেন কেবিনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হতো।

তার অভিযোগ, এই প্রভাবশালী গোষ্ঠীটি প্রতি মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় নিয়মিত গোপন বৈঠকে বসত এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা ঠিক করত।

তৌহিদ হোসেন আরও বলেন, এই চক্রের সদস্যদের অভিজ্ঞতা কম থাকলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের মতামতকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হতো।

তৌহিদ হোসেনের পাশাপাশি সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদও অন্তর্বর্তী সরকারে একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ সক্রিয় থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে নিজে ওই ‘কিচেন কেবিনেটের’ সদস্য ছিলেন না বলে দাবি করেছেন তিনি।

ওই সাক্ষাৎকার গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে বেশ জোরেশোরে আলোচনা চলছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন সাবেক উপদেষ্টার বিস্ফোরক বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। মূলত রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে একটি অঘোষিত প্রভাবশালী গোষ্ঠীর আধিপত্যের অভিযোগ ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।

কিচেন কেবিনেট কী: রাজনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘কিচেন কেবিনেট’ বলতে সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানের ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন অনানুষ্ঠানিক উপদেষ্টাদের একটি ছোট বলয়কে বোঝায়। সাংবিধানিক বা আনুষ্ঠানিক মন্ত্রিসভার বাইরে থাকা এ গোষ্ঠীটি আড়াল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। সাধারণত এ ধরনের বলয়ে সরকারপ্রধানের পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিকভাবে বিশ্বস্ত ব্যক্তি কিংবা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের প্রভাবশালী বিশেষজ্ঞরা অন্তর্ভুক্ত থাকেন, যাদের জনগণের কাছে সরাসরি জবাবদিহির বাধ্যবাধকতা থাকে না।

শব্দটির উৎপত্তি ঊনবিংশ শতাব্দীতে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৮৩০-এর দশকে সপ্তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসন তার আনুষ্ঠানিক মন্ত্রিসভার চেয়ে ব্যক্তিগত কিছু বন্ধু ও সাংবাদিকদের পরামর্শকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। সমালোচকেরা ব্যঙ্গ করে বলতেন, এই ব্যক্তিরা হোয়াইট হাউসের মূল দরজা ব্যবহার না করে পেছনের দরজা বা রান্নাঘরের পথ দিয়ে যাতায়াত করেন। সেই থেকেই রাজনীতিতে এই ছায়া নীতিনির্ধারক গোষ্ঠীকে বোঝাতে ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ শব্দটির ব্যবহার শুরু হয়।

কিউএনবি/বিপুল/২৭.০৫.২০২৬/রাত ৯.১৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit