ডেস্ক নিউজ : বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) আবারও প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলারের ওপরে উঠেছে। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতিবিষয়ক বৈঠকের আগে স্বর্ণের দাম বাড়ল।
এদিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টা ২৪ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪.৪৯ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে শুক্রবার স্বর্ণের দাম কমে ৩ হাজার ৯৭৫ ডলারে নেমেছিল, যা গত ২০ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ০.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৮.৪০ ডলারে পৌঁছেছে।
ইউবিএসের বিশ্লেষক জিওভান্নি স্তাউনোভো বলেন, কিছু বিনিয়োগকারী ৪ হাজার ডলারের মূল্যস্তরকে স্বর্ণ কেনার সুযোগ হিসেবে দেখছেন। অতীতেও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের দৃষ্টিকোণ থেকে এই স্তরটি ভালো সমর্থন জুগিয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত স্বর্ণ কেনার প্রবণতা কিছুটা বাড়তে পারে।
সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ীরা ৯ শতাংশ। তবে ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তেলের দাম কমলে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমতে পারে, যা চলতি সপ্তাহে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও জাপান ব্যাংকও মূল্যস্ফীতির চাপ থাকা সত্ত্বেও সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা খোলা রাখবে তারা।
বিনিয়োগকারীরা আগামী ২৯ অক্টোবর প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের অক্টোবর মাসের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় মূল্যসূচকের (পিসিই) তথ্যের দিকেও নজর রাখছেন। ফেডারেল রিজার্ভ মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে এই সূচককে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৩.৯৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৫৪৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৪৩.৪৭ ডলারে নেমেছে।
সূত্র: রয়টার্স
কিউএনবি/আয়শা/২৬ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ১০:০৮