মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামের উলিপুরে অসহায় নারীর জমি দখলের অভিযোগ

রাশিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৫৫ Time View

রাশিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের উলিপুরে প্রৃভাবশালীর পক্ষ নিয়ে চেয়ারম্যানের নির্দেশে চৌকিদার দিয়ে অসহায় এক নারীর বাড়ি ভাংচুর ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা যায়, উলিপু উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্লা গ্রামের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া আহসান হাবীব ও আতোয়ার রহমানের ৩৫ শতাংশ জমি বাটোয়ারা হলে বড় ভাই আহসান হাবীব তার স্ত্রীর নামে লিখে দেন এবং ছোট ভাই আতোয়ার রহমান তার প্রাপ্য জমি একই এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের পুত্র প্রভাবশালী রফিকুল ইসলাম মুকুলের নিকট বিক্রি করেন।

পরবর্তীতে আহসান হাবিবের অনুপস্থিতিতে স্ত্রীকে লিখে দেয়া জমি নানা ভাবে দখলের পাঁয়তারা করে প্রভাবশালী রফিকুল ইসলাম মুকুল। কয়েক দফায় খাদিজা বেগমের জমি দখলের চেষ্টা করলে স্বামী আহসান হাবীব উলিপুর থানা পুলিশকে অভিযোগ করলে পুলিশ গত ০৯.০১.২০২২ইং তারিখ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতি দেখে চেয়ারম্যান কৌশলে বিষয়টি সমাধান করবেন মর্মে পুলিশকে আশ্বস্ত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশ দিয়ে চেয়ারম্যান উপস্থিতিতে দিনে দুপুরে প্রভাবশালী রফিকুল ইসলাম মুকুল দলবল সহ টিনের বেড়া ভেঙে ঘর-বাড়ি ও জিনিসপত্র লুটপাট করেন।

এসময় আহসান হাবীব এর ছোট ভাইয়ের বৌ বাধাঁ দিতে গেলে তাকেও মারধর করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় আহসান হাবীবের স্ত্রী খাদিজা বেগম এগিয়ে আসলে তাকেও পানি চুবায় দুর্বৃত্তরা। পওে এলাকাবাসী উত্তেজিত হলে দ্রুত পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। আহত তানজিলা, রেদওয়ানুল ইসলাম, আলমগীর এবং খালেদা বেগম জানান, চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে প্রভাবশালী রফিকুল ইসলাম মুকুলের পক্ষ নিয়ে গ্রাম পুলিশ দিয়ে খাদিজার বাড়িঘর-ভাংচুর এবং জমি দখল নেয়।

বিবাদী রফিকুল ইসলামের সাথে মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিফ করেননি। এ ব্যাপারে তবকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান জানান, উলিপুর থানার ওসি বিবদমান জমিটির মিমাংসা করতে আহসান হাবিবের সাথে বৈঠক করেন কিন্তু তিনি তা মানেন নাই। পরে বিবাদী রফিকুল ইসলাম মুকুল আমার ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দিলে আমি গ্রাম পুলিশ দিয়ে জায়গাটি দখল নিয়ে দেই। এটা গ্রাম আদালতের এখতিয়ার আছে।

উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ কবির বলেন, ৯৯৯ নাইনে কল পেয়ে আমরা সেখানে যাই এবং উভয়পক্ষকে সংঘর্ষ এড়াতে নিবৃত্ত করি। তিনি বাদী আহসান হাবিবের সাথে বৈঠকের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৬:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit