বিশ্বজিত সরকার বিপ্লব গৌরনদী প্রতিনিধি : বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বন্দর থেকে নিখোঁজের সাত দিন পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশ্ববর্তী বার্থী বাজার সংলগ্ন খালের মধ্যে ভেসে ওঠা নিখোঁজ ইজিবাইক চালক মামুন রাঢ়ী (২৯) মুখ থেতলানো গলাকাটা ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধারের দুই বছর পার হলেও এখনো অধরাই থেকে গেছে মামুনের হত্যাকারীরা। ইজিবাইক চালক মামুন হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলাটি গত দুই বছরে দুইটি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার হাত বদল হলেও অদ্যবর্ধি হত্যাকান্ডের কোন রহস্য-উদঘাটন কিংবা হত্যার সাথে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ফলে নিহতের পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রমতে, ২০২০ সালের ১৯ আগস্ট রাতে গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বন্দর থেকে নিজের ইজিবাইকসহ নিখোঁজ হয় উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের উত্তর মোড়াকাঠী গ্রামের আব্দুস সালাম রাঢ়ীর ছেলে মামুন রাঢ়ী (২৯)। নিখোঁজের সাতদিন পর (২৬ আগস্ট) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশ্ববর্তী বার্থী বাজার সংলগ্ন খালের মধ্যে ভেসে ওঠে মামুনের মুখ থেতলানো গলাকাটা ক্ষতবিক্ষত লাশ। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই নিহতের পিতা আব্দুস সালাম রাঢ়ী বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার শুরুতে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করেন। পরবর্তীতে পুলিশ হত্যার কোন ক্লু-উদ্ঘাটন করতে না পারায় বাদি মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। কয়েকদফা সিআইডি’র কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলসহ নিহতের নিজ গ্রাম পরিদর্শন করে সন্দেহভাজন একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বললেও অদ্যবর্ধি হত্যাকান্ডের কোন ক্লু-উদঘাটন, নিহতের ব্যবহৃত ইজিবাইক উদ্ধার কিংবা কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। মামুন হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
কিউএনবি/আয়শা/২৮ অগাস্ট ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:০৮