ইউনুস রিয়াজ,গবি প্রতিনিধি : যে মানুষটা বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, স্বাধীনতার স্থপতি তাকে নিজ বাসভবনে স্বপরিবারে হত্যা করে এই জাতি যে কালো অধ্যায় রচিত করেছে তা কখনো শেষ হবার নয়। এই হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে এই জাতিকে বহু দশক পিছিয়ে দিয়েছে স্বাধীনতা বিরোধীরা। এ মাস ঘিরে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা কি ভাবছে তা তুলে ধরছি, আমি ইউনুস রিয়াজ……
এই দেশে সোনার বাংলার কারিগর হত্যার বিচার হবেই
‘বঙ্গবন্ধুর হত্যার মাধ্যমে বাঙালী হারায় এমন একজন নেতা ও শাসক, যে বটবৃক্ষের মতো সব ধরনের ঝড় থেকে রক্ষা করছেন বাঙালীকে।এমনকি তার মৃত্যুর সাথে সাথে বাংলাকে ধ্বংস করার কাজও শুরু হয়ে যায়। বাংলা হারায় তার সোনার বাংলা গড়ার আহ্বায়কে, থেমে যায় সোনার বাংলা গড়ার কাজ। এই আগস্ট মাসটি আমাদের কাছে বরাবরই শোকের মাস হয়ে থেকে যাবে আর এই দিনটি শোকের দিনই থাকবে ততদিন যতদিন বাংলা ও বাঙালী আছে। বাংলার মানুষ ও প্রকৃতি চায় তাদের কঠিন বিচার হোক যারা তাদের থেকে তাদের জাতির পিতা কেড়ে নিয়েছে।‘

মো. রিজভী সরকার
২য় বর্ষ্
প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ
গণ বিসশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংস, মর্মান্তিক এবং লোমহর্ষক ঘটনা
‘পৃথিবীর ইতিহাসে যতগুলো নৃশংস, মর্মান্তিক এবং লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘটনা।যা স্মরণ হলে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। আগস্ট বাঙালি জাতির জন্য একটি শোকের মাস। কেননা এই দিনে একদল বিপথগামী সেনা সদস্য ধানমন্ডির ৩২নং রোডের বাড়িতে অবস্থানরত হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের নির্মম এবং পৈশাচিকভাবে হত্যা করে। যাদের হাত হতে রক্ষা পায়নি বঙ্গবন্ধুর আদরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলও। এটি বাঙালি জাতির জন্য একটি কালো অধ্যায়।‘

ফারিয়া হক বর্ষা
২য় বর্ষ
ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্সেস বিভাগ
গণ বিসশ্ববিদ্যালয়
১৫ আগস্ট এই জাতির জন্য একটি কালো দিন
‘বাংলার আকাশ-বাতাস আর প্রকৃতিও অশ্রুসিক্ত হওয়ার দিন। কেননা পঁচাত্তরের এই দিনে আগস্ট আর শ্রাবণ মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনে।মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধূঁর দিন। এই দিনে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, বিশ্বের লাঞ্ছিত, বঞ্চিত, নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা, বাংলা ও বাঙালির হাজার বছরের আরাধ্য পুরুষকে স্বপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সব অনুভূতি, ত্যাগ, সংগ্রাম, বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্ব, অদম্য স্পৃহা, দৃঢ় প্রত্যয়, বাঙালি জাতির প্রতি গভীর ভালোবাসা, মমত্ববোধ, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও আদর্শের দ্বারা সমগ্র বাঙালি জাতিকে উজ্জীবিত করে স্বাধীনতা অর্জনের চূড়ান্ত আত্মত্যাগে দীক্ষিত করে তুলেছিলেন।‘

ফখরুল ইসলাম
২য় বর্ষ
ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্সেস বিভাগ
গণ বিসশ্ববিদ্যালয়
বাঙ্গালীর মহা নায়ক হারানোর বেদনা কখনো ভুলার নয়
‘কিছু বিপথগামী সেনা সদস্য এসে আমাদের জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সকল সদস্যকে নির্মম ভাবে হত্যা করে, তার ২ কন্যা বিদেশে থাকায় তারা প্রানে বেঁচে যায়। তিনি ছিলেন একজন আসল সৈনিক তিনি দেশের জন্য অনেক ত্যাগ শিকার করে গেছেন তবু নিজ দেশের মানুষদের জন্য সর্বদাই ভাল চেয়েছিলেন।তার জন্যই আজ আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি তার বীরত্বের জন্যই আজ আমরা স্বাধীন। তাকে হারানোর বেদনা যে কতখানি তা বলে প্রকাশ করা যাবে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি বেচে থাকতেন তাহলে তিনি আরো অনেক মঙ্গল বয়ে আনতেন দেশের জন্য বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ অনুপ্রেরণা পেত কিন্তু তাকে হারানোর পরে তা আর সম্ভব হয় নি। তাকে হারানোর যন্ত্রণা চিরকাল এই দেশের মানুষ অনুভব করবে তার বীরত্বের কথা যুগ যুগ একিভাবে ইতিহাসের পাতায় রয়ে যাবে।‘

সুলতানা আক্তার মিতু
২য় বর্ষ
বাংলা বিভাগ
গণ বিসশ্ববিদ্যালয়
কিউএনবি/অনিমা/১৩ অগাস্ট ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১১:০৮