বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পুনরুদ্ধার করেছেন শেখ হাসিনা : ওবায়দুল কাদের

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২০ মার্চ, ২০২২
  • ৯১ Time View

 

ডেস্ক নিউজ : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির নেতাদের সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ রবিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‌‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র নাকি একসঙ্গে যায় না। মির্জা ফখরুলকে বলতে চাই, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন। আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসান ঘটেছে ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ দেশের মানুষের স্বাধিকার, স্বাধীনতা, মুক্তি, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছে। এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র একমাত্র আওয়ামী লীগের হাতেই নিরাপদ। গণতন্ত্রের বিকাশ ও অগ্রযাত্রায় দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। কারফিউ মার্কা গণতন্ত্র আর গণতন্ত্রের আড়ালে মুখোশধারী স্বৈরাচারদের হাত থেকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে পুনরুদ্ধার করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‌‘দেশের যেকোনো রাজনৈতিক দলের চেয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চায় এগিয়ে রয়েছে। নির্বাচন বিমুখ একটি দল কীভাবে গণতন্ত্রের কথা বলে? গণতান্ত্রিক চর্চায় সর্বদাই বিএনপির এক ধরনের অনীহা রয়েছে। এমনকি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও মহান জাতীয় সংসদে যাওয়া নিয়ে বিএনপি দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। একদিকে তাদের মহাসচিব নির্বাচিত হয়েও সংসদে অংশগ্রহণ করেনি, অন্যদিকে সংসদে তাদের দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এ ধরনের দ্বিধাগ্রস্ত ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষম রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেশের কল্যাণ করার সক্ষমতা রাখে না; এটা প্রমাণিত। জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় এ দেশের মানুষের ভাগ্যের যত উন্নয়ন ঘটছে, বাংলাদেশ যত উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রসর হচ্ছে, বিএনপি নেতৃবৃন্দ ততই হতশাগ্রস্ত হয়ে প্রতিনিয়ত প্রলাপ বকছে। আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশে উন্নয়নের নতুন নতুন মাত্রা আমাদের আর্থ-সামাজিক জীবনের যে পরিবর্তন সাধন করেছে এবং তার ভিত্তিতে নতুন প্রজন্মের যে মানসিকতা ও স্বপ্ন-আকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে তা ধারণ করার মতো রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সক্ষমতা বিএনপি’র নেই।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির জন্ম এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে হত্যার মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসনের পটভূমিতে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে পবিত্র সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করে এবং ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতাসহ জাতীয় চার নেতার খুনিদের সুরক্ষা দেন। পরিকল্পিতভাবে এ দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চেতনাকে ভূ-লুণ্ঠিত করে হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের অপরাজনীতির জন্ম দেয় বিএনপি। বিএনপির গণতন্ত্রের নমুনা হলো- অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল, ষড়যন্ত্রমূলক নির্বাচন, ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার প্রস্তুত ও কারচুপির নির্বাচন, বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করতে নারকীয় গ্রেনেড হামলা, সংখ্যালঘু নির্যাতন, অগ্নিসন্ত্রাস ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের মতো ন্যাক্কারজনক পন্থা অবলম্বন। এ দেশের সাংবিধানিক রাজনীতি এবং গণতন্ত্রের মানচিত্রে দগদগে ক্ষত সৃষ্টিকারী দানবীয় অপশক্তির নাম বিএনপি।’

‘বর্তমান সরকার নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে নয় বরং তার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। এ দেশের গণমাধ্যমের বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক সকল প্রয়াস আওয়ামী লীগই গ্রহণ করেছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আছে বলেই জনবিচ্ছিন্ন বিএনপির রাজনীতি শুধু মিডিয়াতে লিপ সার্ভিস দেওয়ার মাধ্যমে টিকে আছে। বলা চলে, গণমাধ্যমই বিএনপির অস্তিত্বকে টিকিয়ে রেখেছে। প্রতিনিয়ত বিএনপি নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে নিলর্জ্জ মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। প্রতিদিন তাদের ডজন খানেক নেতা টেলিভিশনে মনগড়া ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে অবাধ বাক-স্বাধীনতা ভোগ করছে। তারপরও তাদের নাকী বাক-স্বাধীনতা নেই! গণমাধ্যমের নাকি স্বাধীনতা নেই! এ থেকেই প্রতিয়মান হয় যে, বিএনপির কাছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে হলো- ভিত্তিহীন ও দূরভিসন্ধিমূলক তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের সহায়ক ভূমিকা পালন’,- বলেন ওবায়দুল কাদের।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৪:০৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit