ইতিহাসে এ নিয়ে মোট নয়টি বিশ্বকাপ এবং চারটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিলেও কখনোই প্রথম পর্বের গণ্ডি পার হতে পারেনি স্কটল্যান্ড। এবার গ্রুপ ‘সি’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তুলনামূলক দুর্বল হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছিল তারা। জন ম্যাকগিনের সেই একমাত্র গোলটিই শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে স্কটিশদের একমাত্র প্রাপ্তি হয়ে থাকে। কারণ, পরের ম্যাচেই মরক্কোর কাছে ১-০ গোলে হেরে ব্যাকফুটে চলে যায় তারা। এরপর গত বুধবার মিয়ামিতে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়ে প্রথমার্ধের চরম রক্ষণাত্মক ভুলের মাশুল গুণতে হয় তাদের। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোল এবং দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাথিউস কুনহার গোলে ৩-০ ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে বসে স্কটল্যান্ড।
ব্রাজিলের কাছে এই বড় হারের পর ৩ পয়েন্ট এবং মাইনাস ৩ গোল ডিফারেন্স বা গোল ব্যবধান নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে থেকে অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছিল স্কটল্যান্ডকে। জার্মানির বিপক্ষে ইকুয়েডরের নাটকীয় জয়সহ অন্যান্য ম্যাচের সমীকরণ স্কটিশদের টিকে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ৫.২৬ শতাংশে নামিয়ে এনেছিল। অবশেষে ক্রোয়েশিয়ার জয়ে সব সমীকরণ চুকেবুকে যাওয়ায় ঘরের পথ ধরতে হচ্ছে হাজার হাজার সমর্থক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেওয়া স্কটল্যান্ডকে।
ডেনমার্ককে হারিয়ে মূল পর্বের টিকিট কেটে যে রূপকথার জন্ম দিয়েছিল ক্লার্কের শিষ্যরা, রক্ষণভাগের দুর্বলতা আর আক্রমণভাগের ব্যর্থতায় তা শেষ পর্যন্ত একরাশ হতাশায় রূপ নিল।