সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন

হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ২০ Time View
স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মঙ্গলবার ডালাসে মুখোমুখি হবে নরওয়ে ও আইভরি কোস্ট। ম্যাচটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নরওয়ের তারকা গোলদাতা এরলিং হালান্ড। তবে আইভরি কোস্ট শুধু তাকে ঠেকানোর পরিকল্পনাই করছে না, নিজেদের আক্রমণভাগের শক্তিও দেখাতে চায়।এবারের বিশ্বকাপে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেই চার গোল করেছেন হালান্ড। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন তিনি। এরপর সেনেগালের বিপক্ষেও দুইবার জালের দেখা পেয়ে দলকে গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার আগেই শেষ ষোলোর টিকিট এনে দেন। শেষ গ্রুপ ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে প্রথম একাদশের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কেও মাঠের বাইরে রাখা হয়।

আইভরি কোস্টের কোচ এমের্স ফায়ে জানেন, হালান্ডকে থামানোই তাদের সবচেয়ে বড় কাজ। তাই তার পরিকল্পনার বড় অংশজুড়েই রয়েছে নরওয়ের এই গোলমেশিনকে বল থেকে দূরে রাখা। এই দায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন ২২ বছর বয়সী রক্ষণভাগের খেলোয়াড় ওসমান দিয়োমান্দে, যাকে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলো দলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

তবে শুধু রক্ষণেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না ফায়ে। তিনি চান, তার দলও সমানতালে আক্রমণ করবে এবং নরওয়েকে চাপে রাখবে। আইভরি কোস্টের আক্রমণভাগে রয়েছে বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান ফুটবলার। তাদের মধ্যে তরুণ ইয়ান দিয়োমান্দে ইতোমধ্যেই আলোচনায় আছেন। অভিজ্ঞ নিকোলা পেপেও দারুণ ছন্দে ফিরেছেন। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে তিনি জোড়া গোল করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।

দলে আক্রমণভাগে খেলার জন্য মোট নয়জন ফুটবলার রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম আঁজে-ইওয়ান বনি। বিশ্বকাপের আগে তিনি ফ্রান্সের বদলে আইভরি কোস্টের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন।

কোচ ফায়ে মনে করেন, তার দলের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো গোল করার দায়িত্ব একজনের ওপর নির্ভর না করা। তিনি বলেন, ‘আমাদের দলে অনেক খেলোয়াড় গোল করতে পারে। প্রতিপক্ষ বুঝে উঠতে পারে না, কোন দিক থেকে আক্রমণ আসবে। বদলি খেলোয়াড়রাও ম্যাচের ফল বদলে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। এটাই আমাদের বড় শক্তি।’

অন্যদিকে নরওয়ের কোচ স্টালে সোলবাক্কেন জানিয়েছেন, ফ্রান্সের বিপক্ষে একসঙ্গে ১০ জন নিয়মিত খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল একেবারেই প্রয়োজনীয়। সেনেগালের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচের পর তার দলের কয়েকজন রক্ষণভাগের ও মাঝমাঠের খেলোয়াড় বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তাই নকআউট পর্বের আগে তাদের সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ডালাসের আবহাওয়া নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা নেই নরওয়ের। দিনের ম্যাচ হলেও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাঠে খেলা হওয়ায় গরম বড় কোনো সমস্যা হবে না।

সব মিলিয়ে শেষ ষোলোর এই লড়াইয়ে একদিকে থাকবে হলান্ডের গোল করার অসাধারণ ক্ষমতা, অন্যদিকে আইভরি কোস্টের ভারসাম্যপূর্ণ আক্রমণ ও দৃঢ় রক্ষণ। তাই ম্যাচটি জমজমাট হওয়ার আভাসই দিচ্ছে।

সূত্র: রয়র্টাস

কিউএনবি/অনিমা/২৯ জুন ২০২৬,/সকাল ৭:১৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit