ডেস্ক নিউজ : কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএনসিসির ৭২ ঘণ্টার সমন্বিত অ্যাকশন প্লান ছিল। সে অনুযায়ী নগরবাসী, সাংবাদিক ও ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কোরবানির পশুর বর্জ্য প্রায় অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
শনিবার (৩০ মে) রাতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন প্রশাসক একথা বলেন।
প্রশাসক জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ঈদের তৃতীয় দিনে মোট ৮২৭ টি ট্রিপের মাধ্যমে ৩ হাজার ৫৫৩ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ৩৪৪ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। ডিএনসিসির ইজারাকৃত ১০টি হাটের মধ্যে ৪ টি গরুর হাটের বর্জ্য ইতোমধ্যে পরিস্কার করা হয়েছে এবং বাকী ৬টি হাটের বর্জ্য পরিষ্কারের কাজ চলছে।
প্রশাসক বলেন, ঈদের ৩য় দিনে নগরের বিভিন্ন স্থানে কোরবানির দেওয়া হচ্ছে এবং পশুর বর্জ্য যে পরিমান হোক আমরা অপসারণ করব, আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের সমন্বয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে ক্লিন ও গ্রীন রাখার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং অব্যাহত থাকবে। প্রতিনিয়ত প্রতিদিনের বাসা বাড়ির বর্জ্য অব্যাহতভাবে পরিষ্কার করা হবে।
সিটি কর্পোরেশনের ২ কর্মকতাকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়ে প্রশাসক জানান, কোরবানির বর্জ্য নয়, বাসা বাড়ির বর্জ্যের কারণে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্মেলনে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সচিব মামুনুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কিউএনবি/অনিমা/৩১ মে ২০২৬,/সকাল ৯:৩৫