লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : ঈদুল আজহার টানা সাত থেকে আট দিনের ছুটিতে অনেকেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গ্রামের বাড়ি বা দেশের বাইরে যান। এই দীর্ঘ ছুটিতে আনন্দের পাশাপাশি অনেকেরই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় বাসায় থাকা ফ্রিজে সংরক্ষিত খাবার। ছুটি শেষে আবার নতুন করে যুক্ত হয় কুরবানির মাংস সংরক্ষণের দায়িত্ব।
ফ্রিজের খাবার সংরক্ষণে সতর্কতা
দীর্ঘ সময় বাসার বাইরে থাকলে ফ্রিজে রাখা খাবার নিয়ে বিশেষ যত্ন নিতে হবে। বিশেষ করে কাঁচা সবজি ও কাঁচা মাংস কখনোই একসঙ্গে রাখা যাবে না। প্রতিটি খাবার আলাদা করে সংরক্ষণের জন্য ভালো মানের এয়ারটাইট বক্স বা ঢাকনাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করা উচিত। এতে খাবারের গুণগত মান ঠিক থাকে এবং একটির সঙ্গে অন্যটির দূষণের ঝুঁকি কমে।
কুরবানির মাংস সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি
কুরবানির মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মানা জরুরি। মাংস সংগ্রহের পর ভালোভাবে এর গায়ে থাকা রক্ত ঝরিয়ে ফেলতে হবে। এরপর পানি সম্পূর্ণভাবে ঝরিয়ে ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রেখে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। খোলা অবস্থায় মাংস রাখা একেবারেই নিরাপদ নয়।
ছোট ছোট অংশে সংরক্ষণ করা ভালো
মাংস বড় আকারে না রেখে ছোট ছোট ভাগে বা ‘ফ্যামিলি প্যাক’ আকারে সংরক্ষণ করা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। এতে প্রতিবার প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ মাংস বের করা যায়। একবার বের করে গলানো মাংস আবার ফ্রিজে রাখা উচিত নয়, কারণ এতে মান ও নিরাপত্তা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ফ্রিজে কুরবানির মাংস রাখার সময় সেটিকে রান্না করা খাবার, ফল বা সবজি থেকে আলাদা রাখতে হবে। কাঁচা মাংসের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে অন্য খাবারে গন্ধ বা জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি না থাকে।
সংরক্ষণের মেয়াদ
সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে কুরবানির মাংস ফ্রিজে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ কিছুটা কমে যেতে পারে, তাই দীর্ঘদিন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
কিউএনবি/আয়শা/ ১৬ মে ২০২৬,/বিকাল ৪:০৫