স্পোর্টস ডেস্ক : নভেম্বরের ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের আগে ঢাকায় নেয়া তার নমুনা পরীক্ষায় নিষিদ্ধ উপাদান পাওয়া যায় বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাবিয়া দাবি করেছেন, তিনি পায়ের ব্যথার জন্য চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ সেবন করেছিলেন, যা ডোপিং তালিকায় থাকা উপাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ইভেন্টে অংশ নেয়া ক্রীড়াবিদদের ডোপিং বিষয়ে আরও কঠোর সচেতনতা বাড়ানো হবে। সংস্থার কর্মকর্তারা বলেন, খেলোয়াড়দের ওষুধ গ্রহণে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট ডোপিং কমিটির অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মাবিয়া দেশের সম্পদ এবং তাকে মানসিকভাবে সহায়তা দেয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি একা অনুশীলনের সুযোগ পাবেন বলেও জানান। বাংলাদেশের নারী ক্রীড়ার অন্যতম প্রতীক মাবিয়ার এই নিষেধাজ্ঞা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কিউএনবি/আয়শা/১২ এপ্রিল ২০২৬,/রাত ১০:৫০