স্পোর্টস ডেস্ক : স্কুলে শিক্ষক আর মাঠে আম্পায়ারের ভূমিকা প্রায় সেম। শিক্ষক ক্লাস পরিচালনা করেন, আর মাঠে আম্পায়ার বা রেফারি খেলা পরিচালনা করেন। এই দিক থেকে দুই জনের ভূমিকা সেম।
ক্লাসে শিক্ষক যেমন ছাত্রদের কাছে সম্মানিত ব্যক্তি, ঠিক তেমনি খেলার মাঠে প্লেয়ারদের কাছে আম্পায়ার বা রেফারিও সম্মানিত। আর সম্মানিত ব্যক্তিকে সম্মান দিতে হয় এটাই নীতি, এটাই স্বাভাবিক।
ক্রীড়াঙ্গনে প্রচলিত বাক্য হলো- আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে গণ্য। বাস্তবে তাই হয়ে থাকে। কাজেই মাঠে আম্পায়ার অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুল করলে সেটিকে খেলোয়াড়দের স্বাভাবিকভাবেই নিতে হয়। যেমনটি আমরা ক্লাসে করে থাকি।
গত পরশু শুক্রবার নেপালের পিএম কাপে মুখোমুখি হয়েছিল বাগমাতি ও মাধেশ। এই ম্যাচে আম্পায়ারের একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিবাদ জানান বাগমাতির অধিনায়ক সন্দীপ লামিচানে। আম্পায়ার ও অধিনায়কের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।
ম্যাচের পর এই ঘটনার একটি ছবি পোস্ট করে ‘ট্রল ক্রিকেট নেপাল’ নামের একটি মিম পেজ। সেই পোস্টের নিচে কমেন্ট করেন কারান। তিনি লিখেন, ‘কোনো ক্রিকেটার যদি ভুলবশত একজন আম্পায়ারকে মারে, তখন কয় ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে?’ আসলে সে জানতে চেয়েছিল আম্পায়ারকে মারলে- ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা বিধান কী?
এ কারণে নেপালের এই অলরাউন্ডারকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব নেপাল (সিএএন)। এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানান নেপালের আম্পায়ার ও স্কোরার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন কারান। তারপরও শাস্তি পেতেই হচ্ছে তাকে।
কিউএনবি/আয়শা/১২ এপ্রিল ২০২৬,/রাত ৯:০০