র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে চট্রগ্রামের ফেস্টিভ্যাল জোন কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নোয়াখালীর হাতিয়া থানার একটি বহুল আলোচিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত ১০ মার্চ ২০২৬ রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে একটি তরমুজ খেতের টং ঘরে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করে। ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে র্যাব। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে তাকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-১১ সিপিপি-৩ কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত আরও বলেন, পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) বাকলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।