বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আটোয়ারী নেছারীয়া ছালেহীয়া খানকাহ শরীফে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা.) পালিত নোয়াখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি সক্ষমতায় সভা আটোয়ারীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা স্টোরের গুরুত্ব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আলোচনা আশুলিয়ায় ৩ মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের র‍্যালী ও মানববন্ধন আত্মসমর্পণের পরও দস্যুতায় ফিরেছেন ৮ জন দেশের পথে মির্জা আব্বাস সরকারি খরচে হজ করলে ফরজ আদায় হবে কি? সন্তানের মার্কিন পাসপোর্টে লাগবে বাবা-মায়ের নাগরিকত্বের প্রমাণ ৩২ মাস পর শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে দলে ফিরলেন শানাকা হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণ গেল

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে ক্ষতি ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৬ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে আইসিসির যেকোনো বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে ধরা হয়। শুধুমাত্র এটি একটি ম্যাচ হলেও টুর্নামেন্টের আর্থিক কাঠামো পুরোপুরি এর উপরই নির্ভরশীল। তাই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি পাকিস্তান বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়ায় আইসিসি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, এই সিদ্ধান্তের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অর্থনৈতিক কাঠামোতে (ইকোসিস্টেম) দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। কারণ পাকিস্তানও একই ইকোসিস্টেমের অংশ এবং এর লভ্যাংশের ভাগীদার।

আইসিসির বক্তব্যকে আর্থিক ভাষায় ব্যাখ্যা করলে তা একদম স্পষ্ট: এটা শুধু রাজনৈতিক নয়, বড় পরিমাণ অর্থের প্রশ্নও বটে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ধরনের ‘সর্বোচ্চ মূল্যমান’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা টুর্নামেন্টের আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা করে। এই ম্যাচের আর্থিক মূল্য সংরক্ষণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয় ব্রডকাস্টিং ও বিজ্ঞাপন।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মোট মূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় যা আনুমানিক ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকার মতো)।
ব্রডকাস্টারের দৃষ্টিতে এই ম্যাচটি ‘ক্রাউন জুয়েল’ হিসেবে কাজ করে। বিজ্ঞাপন রেট সাধারণত ১০ সেকেন্ডের জন্য ২৫-৪০ লাখ রুপি পর্যন্ত ওঠে। ফলে ম্যাচ না হলে বিজ্ঞাপন রাজস্বই বড় আকারে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শুধু বিজ্ঞাপন আয় হিসাব করলে এই ম্যাচের জন্য প্রায় ৩০০ কোটি রুপি আয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এ ছাড়া বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের ভ্যালু বা মূল্য হিসাব করলে প্রায় ১৩৮.৭ কোটি রুপি (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি) প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ধরা হয়। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে এই ভিত্তিক আয় কমে যাওয়ার ফলে আইসিসির কেন্দ্রীয় রাজস্বে ধাক্কা লাগবে, যা সদস্য বোর্ডগুলোর বরাদ্দেও প্রভাব ফেলবে।
ভারত ও পাকিস্তান দুই বোর্ডই সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বোর্ডই প্রায় ২০০ কোটি রুপি করে আয় হারাতে পারে। ভারতীয় বোর্ডের জন্য এই বড় ক্ষতি হলেও সামলানো সম্ভব, কিন্তু পাকিস্তান বোর্ডের জন্য এটি বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে দাঁড়ায়। কারণ আইসিসির মোট রাজস্বের ৫.৭৫ শতাংশ পাকিস্তানকে বরাদ্দ হিসেবে যায়, যা প্রায় ৩৪.৫১ মিলিয়ন ডলার (বার্ষিক)। ম্যাচ বর্জন হলে এই প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং আইনি দায়, জরিমানা বা ক্ষতিপূরণও হতে পারে।
এদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি বিশ্বাসযোগ্যতায় চরম ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে এনডিটিভি তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে। ব্রডকাস্টাররা অনিশ্চয়তা পছন্দ করে না। একবার কোনো বোর্ডকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করলে ভবিষ্যতে পাকিস্তান-সংক্রান্ত রাইটস, স্পন্সরশিপ ও সম্প্রচার চুক্তিতে মূল্য কমতে পারে। অর্থাৎ এই এক ম্যাচের ক্ষতি ভবিষ্যতে ধারাবাহিক আয়ের ক্ষয়েও পরিণত হতে পারে।

 

 

কিউএনবি/খোরশেদ/০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৪:৩২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit