সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পেলেন তামিম অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে : ইসি ২৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে নাসার ক্যামেরায় তারার অপরূপ দৃশ্য হারারে টেস্টের প্রথম দিনে ব‍্যাটে-বলে পিছিয়ে বাংলাদেশ সড়ক-রেলখাতে ব্যাপক বরাদ্দ, বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী গাইবান্ধায় রামমূর্তি নির্মান বন্ধ ও অপসারণের দাবিতে নওগাঁয় প্রতিবাদ সমাবেশ ‎লালমনিরহাটের মিশনমোড়ে ‘কনফিডেন্স ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার’-এর জমকালো উদ্বোধন রোনালদো সম্পর্কে এমনটি বলা ‘ছেলেমানুষি’ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট ৭১২ ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়তে পূবালী ব্যাংক পিএলসি রাণীশংকৈল উপশাখা, ঠাকুরগাঁও এর উদ্যোগে ৩ দিনব্যাপী ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন বুথ উদ্বোধন

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে ক্ষতি ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫১ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে আইসিসির যেকোনো বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে ধরা হয়। শুধুমাত্র এটি একটি ম্যাচ হলেও টুর্নামেন্টের আর্থিক কাঠামো পুরোপুরি এর উপরই নির্ভরশীল। তাই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি পাকিস্তান বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়ায় আইসিসি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, এই সিদ্ধান্তের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অর্থনৈতিক কাঠামোতে (ইকোসিস্টেম) দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। কারণ পাকিস্তানও একই ইকোসিস্টেমের অংশ এবং এর লভ্যাংশের ভাগীদার।

আইসিসির বক্তব্যকে আর্থিক ভাষায় ব্যাখ্যা করলে তা একদম স্পষ্ট: এটা শুধু রাজনৈতিক নয়, বড় পরিমাণ অর্থের প্রশ্নও বটে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ধরনের ‘সর্বোচ্চ মূল্যমান’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা টুর্নামেন্টের আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা করে। এই ম্যাচের আর্থিক মূল্য সংরক্ষণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয় ব্রডকাস্টিং ও বিজ্ঞাপন।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মোট মূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় যা আনুমানিক ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকার মতো)।
ব্রডকাস্টারের দৃষ্টিতে এই ম্যাচটি ‘ক্রাউন জুয়েল’ হিসেবে কাজ করে। বিজ্ঞাপন রেট সাধারণত ১০ সেকেন্ডের জন্য ২৫-৪০ লাখ রুপি পর্যন্ত ওঠে। ফলে ম্যাচ না হলে বিজ্ঞাপন রাজস্বই বড় আকারে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শুধু বিজ্ঞাপন আয় হিসাব করলে এই ম্যাচের জন্য প্রায় ৩০০ কোটি রুপি আয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এ ছাড়া বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের ভ্যালু বা মূল্য হিসাব করলে প্রায় ১৩৮.৭ কোটি রুপি (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি) প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ধরা হয়। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে এই ভিত্তিক আয় কমে যাওয়ার ফলে আইসিসির কেন্দ্রীয় রাজস্বে ধাক্কা লাগবে, যা সদস্য বোর্ডগুলোর বরাদ্দেও প্রভাব ফেলবে।
ভারত ও পাকিস্তান দুই বোর্ডই সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বোর্ডই প্রায় ২০০ কোটি রুপি করে আয় হারাতে পারে। ভারতীয় বোর্ডের জন্য এই বড় ক্ষতি হলেও সামলানো সম্ভব, কিন্তু পাকিস্তান বোর্ডের জন্য এটি বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে দাঁড়ায়। কারণ আইসিসির মোট রাজস্বের ৫.৭৫ শতাংশ পাকিস্তানকে বরাদ্দ হিসেবে যায়, যা প্রায় ৩৪.৫১ মিলিয়ন ডলার (বার্ষিক)। ম্যাচ বর্জন হলে এই প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং আইনি দায়, জরিমানা বা ক্ষতিপূরণও হতে পারে।
এদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি বিশ্বাসযোগ্যতায় চরম ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে এনডিটিভি তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে। ব্রডকাস্টাররা অনিশ্চয়তা পছন্দ করে না। একবার কোনো বোর্ডকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করলে ভবিষ্যতে পাকিস্তান-সংক্রান্ত রাইটস, স্পন্সরশিপ ও সম্প্রচার চুক্তিতে মূল্য কমতে পারে। অর্থাৎ এই এক ম্যাচের ক্ষতি ভবিষ্যতে ধারাবাহিক আয়ের ক্ষয়েও পরিণত হতে পারে।

 

 

কিউএনবি/খোরশেদ/০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৪:৩২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit