বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফ্রান্সের দাঙ্গা ও ভারতের আন্দোলনের যোগসূত্র কোথায়, অনুসন্ধানে যা উঠে এসেছে প্যারিসে লুণ্ঠন, মুহূর্তেই শেষ বাংলাদেশি হাসানের ১০ বছরের শ্রম-সঞ্চয় রিয়াদে ম্যাক্রোঁর আকস্মিক ‘সংহতি’ সফর ফ্রান্সে ক্ষোভের আগুন, বিক্ষোভের নতুন বার্তা নিয়ে ইউরোপের ১০১ সংগঠন ত্রিপক্ষীয় সম্মেলনে মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন পুতিন, জিনপিং ও ট্রাম্প: ক্রেমলিন ট্রাম্প-জেলেনস্কির পারস্পরিক অবিশ্বাস: যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সম্পর্কে চরম অবনতি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: এনবিসি ফ্রান্সে ফের বিক্ষোভের ডাক, সহিংসতা কঠোর হাতে দমনের ঘোষণা ম্যাক্রোঁর ইরান যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র, তবে দীর্ঘস্থায়ী সমাধান চান ট্রাম্প ভারতের বিক্ষোভে ইন্ধনের অভিযোগ, মার্কিন আইনপ্রণেতাদের নজরে সিংহামের সংগঠন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: নতুন পদ্ধতিতে সিজিপিএ বের করবেন যেভাবে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের সিজিপিএ নির্ণয় শুরু করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীর তত্ত্বীয়, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরকে লেটার গ্রেড এবং গ্রেড পয়েন্টে রূপান্তর করে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতি অনুযায়ী শিক্ষার্থীর গাণিতিক নম্বর, লেটার গ্রেড ও গ্রেড পয়েন্ট নির্ধারিত হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীর গ্রেড নির্ধারণ করা হবে অর্জিত পয়েন্ট এবং ক্রেডিটের ভিত্তিতে। জিপিএ বা গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ নির্ণয়ের সময় ওই বছরের মোট অর্জিত পয়েন্টকে মোট ক্রেডিট দ্বারা ভাগ করা হবে। উদাহরণ হিসেবে, চারটি কোর্সে একজন শিক্ষার্থী যদি ৩৯ পয়েন্ট অর্জন করেন এবং মোট ক্রেডিট ১৬ হলেও উত্তীর্ণ ক্রেডিট ধরা হয় ১২, তাহলে ৩৯ কে ১৬ দিয়ে ভাগ করলে জিপিএ দাঁড়াবে ২.৪৪।

সিজিপিএ বা ক্যুমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ নির্ধারণের জন্য প্রথম থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত প্রতিটি বছরের মোট অর্জিত পয়েন্ট যোগ করে তা সম্পূর্ণ কোর্সের মোট ক্রেডিট দিয়ে ভাগ করা হবে। নির্দেশনায় একই সঙ্গে ইপিএস বা আর্নড পয়েন্ট সিকিউরড, জিপিএস বা গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ, টিপিএস বা টোটাল পয়েন্ট সিকিউরড এবং সিজিপিএ সংক্রান্ত সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় প্রমোশন, গ্রেড উন্নয়ন এবং মানোন্নয়ন সংক্রান্ত নীতিমালা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, এক বর্ষ থেকে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশনের জন্য শিক্ষার্থীর সব কোর্সের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। প্রথম বর্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষে এবং দ্বিতীয় বর্ষ থেকে তৃতীয় বর্ষে প্রমোশনের জন্য শিক্ষার্থীর কমপক্ষে অর্ধেক কোর্সে D গ্রেড প্রাপ্ত হতে হবে। কোনো বর্ষে একটি কোর্সের পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলেও বাকি কোর্সে D গ্রেড প্রাপ্ত হলে শর্তসাপেক্ষে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন সম্ভব হবে, তবে অনুপস্থিত কোর্সের পরীক্ষায় পরবর্তী বছরের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তৃতীয় বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষে প্রমোশনের জন্যও শিক্ষার্থীর কমপক্ষে অর্ধেক কোর্সে D গ্রেড প্রাপ্ত থাকা আবশ্যক।

শর্ত পূরণে ব্যর্থ শিক্ষার্থীরা চতুর্থ বর্ষে পূর্ববর্তী বছরের শুধুমাত্র F গ্রেড এবং একটি অনুপস্থিত কোর্সের গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া C, C+ এবং D গ্রেড প্রাপ্ত সর্বোচ্চ দুইটি কোর্সে মানোন্নয়ন পরীক্ষার সুযোগ থাকবে। প্রমোটেড এবং নট প্রমোটেড শিক্ষার্থীরা C, C+ এবং D গ্রেড প্রাপ্ত সর্বোচ্চ দুইটি কোর্সে পরবর্তী বছরের মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবেন। F গ্রেড প্রাপ্ত কোর্সে একাধিকবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে, তবে গ্রেড উন্নীত হলে সেই কোর্সে মানোন্নয়ন পরীক্ষার সুযোগ থাকবে না।

F গ্রেড উন্নীত হলে সর্বোচ্চ A গ্রেড দেওয়ার বিধান রয়েছে। একই বর্ষে সর্বোচ্চ দুইটি কোর্সে মানোন্নয়ন পরীক্ষার ক্ষেত্রে Pickup পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, অর্থাৎ একাধিকবার পরীক্ষা দিলে উচ্চতর গ্রেডটি সিজিপিএ গণনায় প্রযোজ্য হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৫ নভেম্বর ২০২৫,/রাত ৮:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit