মোঃআশিকুর ইসলাম ,বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর,প্রতিনিধি : দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার পল্লিতে ধষর্নের শিকার শিমু আক্তার(১৫) আত্মহত্যা করায় বোচাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে শিমুর পিতা সোহেল রানা।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই রাত অনুমানিক ৭টায় পাশের বাড়ীর বর্থ গ্রামের মাহামুদুল হকের পুত্র কিবরিয়া কনক (২৩) শিমু আক্তার (১৫) কে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বোচাগঞ্জ থানায় ৯(১)ধারা মতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ একটি ধষর্ন মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং-২১ উক্ত মামলায় অভিযুক্ত কিবরিয়া কনক কে আটক করে থানা পুলিশ।
সেই মামলার প্রেক্ষিতে গত ১৮ আগষ্ট বিকাল অনুমান বিকাল ৫টায় কিবরিয়া কনক এর আত্বীয় স্বজন শিমুর বাড়ীতে এসে শিমুসহ তার পরিবারের সবাইকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে। পরবর্তীতে গত ২০ আগষ্ট সকাল অনুমান সাড়ে ১০টায় পুনরায় ঐসব ব্যক্তিরা শিমুর বাড়ীতে এসে ধষর্ন মামলার জের ধরে পরিবারের সদস্যদেরকে উদ্দেশ্যে করে গালিগালাজ করাসহ বাড়ীর সবাই কে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে ও অপমানজনক কথাবার্তা বলে এবং শিমুর চরিত্র নিয়ে নানা ধরণের বাজে মন্তব্য করে।এক পর্যায়ে গত ২১ আগষ্ট বৃহস্পতিবার ভোর রাতে শিমু আক্তার লোকলজ্জা ও অপমান সইতে না পেরে তার নিজ ঘড়ে উড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।
আত্মহত্যার পুর্বে শিমু আক্তার ২ পাতার একটি চিঠি লিখে গেছেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ঐ দিন বিকালে মৃত শিমু আক্তারের পিতা বাদি হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করেছে মর্মে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৬, ধারা-৩০৬ পেনালকোর্ড-১৮৬০। আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত মামলায় ১ জন কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ঐদিন সন্ধ্যায় ময়না তদন্ত শেষে বাড়ীর পার্শের কবরস্থানে শিমু আক্তার কে দাফন করা হয়।ঘটনার পর এএসপি(সাকের্ল) মোঃ মনিরুজ্জামান, বোচাগঞ্জ থানার ওসি মোঃ হাসান জাহিদ সরকার, এসআই মোঃ মহুবার ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এবিষয়ে ওসি হাসান জাহিদ সরকার বলেন, উক্ত মামলায় ১ জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদেরও দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা হবে।
কিউএনবি/অনিমা/২২ আগস্ট ২০২৫/রাত ৯:৫৪






















