বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি পানামা ও ক্রোয়েশিয়া, হারলেই বিদায় নিশ্চিত বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ, ৩ দিন পর মুক্তিপণে ফেরত আটকে থাকা অর্থের ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ওড়ালো ইরান রোনালদোকে নিয়েই শুরুর একাদশ ঘোষণা পর্তুগালের বিয়ের স্বপ্ন ভেঙে দিল এক মুহূর্তের দুর্ঘটনা! যুক্তরাজ্যে রেকর্ড দাবদাহ: গলে যেতে পারে রাস্তা, গাড়িচালকদের যাত্রা স্থগিতের পরামর্শ ‘আদালতে স্বামীর খোঁজে স্ত্রী’, মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে ব্যক্তিগত আক্রমণ উদয়নিধির দখলদার সেনার ওপর হামলাকেও নিজ ভূখণ্ডে আক্রমণ হিসেবে দেখাচ্ছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলো

বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন অফিস হলে বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫
  • ৪৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সহযোগিতার বিষয়ে জাতিসংঘের কোনো এখতিয়ার নেই বলে মত দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, সংস্কার একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ফলে বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় স্থাপিত হলে, তা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। সেই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগ হারানোর ঝুঁকিও বাড়বে এবং বাংলাদেশ বৈশ্বিক নানা সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও জাতিগত সংঘাতে বিপর্যস্ত ফিলিস্তিন, সিরিয়া, কম্বোডিয়া ও গুয়াতেমালাসহ ১৯টি দেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের অফিস রয়েছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশেই এখনো এ ধরনের কার্যালয় স্থাপন করা হয়নি।

সম্প্রতি জাতিসংঘের বাংলাদেশে নিযুক্ত আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস জানিয়েছেন, ঢাকায় খুব শিগগিরই জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের একটি অস্থায়ী অফিস খোলা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শিগগিরই একটি চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অস্থায়ী এই দপ্তরের মূল দায়িত্ব হবে সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহযোগিতা করা। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এ ধরনের কার্যক্রম জাতিসংঘের ম্যান্ডেটের আওতাভুক্ত নয়।

ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী বলেন, “তাদের মূল কাজ হবে সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনগুলো বাস্তবায়নে সহায়তা করা।”

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “এটা জাতিসংঘের এখতিয়ার নয়। তারা যদি এটা করতে চায়, তাহলে সেটা অবমাননাকর হবে। সংস্কার আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, জনগণকেই এটি বাস্তবায়ন করতে হবে। আর ‘অস্থায়ী’ বলে কিছু নেই—একবার তারা এ দেশে ঢুকে পড়লে, তাদের সরানো কঠিন হয়ে যাবে।”

বিশ্লেষকেরা আরও বলেন, সাধারণত যেসব দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটে, সেসব জায়গায় জাতিসংঘ এমন কার্যালয় স্থাপন করে। ফলে বাংলাদেশে এ উদ্যোগ বিশ্বদৃষ্টিতে নেতিবাচক বার্তা দিতে পারে।

ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “এর একটা নেতিবাচক প্রভাব হবেই। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ হয়তো এতে খুশি হবে, ভাববে বাংলাদেশে আর বিনিয়োগ হবে না।”

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, জাতিসংঘের এ কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত। এ বিষয়ে সর্বস্তরে ব্যাপক সংলাপ ও আলোচনার প্রয়োজন বলেও তাঁরা মত দিয়েছেন।

কিউএনবি/অনিমা/০৯ জুন ২০২৫, /দুপুর ২:৪৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit