ডেস্ক নিউজ : প্রশ্ন: আমার একজন অসুস্থ বোন আছে। তার স্বামী তাকে ভরণ পোষণ দেয় ঠিকই, কিন্তু চিকিৎসার খরচ দেয়না, তার চিকিৎসার খরচ হিসাবে যদি আমি জাকাতের টাকা দেই, তাহলে আমার জাকাত কি আদায় হবে? এবং তার সেটা নেওয়া কি জায়েজ হবে?
বরং এমন গরীব নিকটাত্মীয়দেরকে জাকাত দেওয়া উত্তমও বটে। কিন্তু যদি তার কাছে প্রয়োজন অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ কোনো সম্পদ থাকে তাহলে জাকাত দেওয়া যাবে না। বরং সেক্ষেত্রে তাদেরকে নফল দান-সদকা দ্বারা সহায়তা করবেন।
কুরআন মজিদে জাকাত ব্যয়ের নির্দিষ্ট আটটি খাত উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মূলত সদকাত হলো ফকির, মিসকিন, জাকাত কর্মী, অনুরক্ত ব্যক্তি ও নওমুসলিম, ক্রীতদাস, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, আল্লাহর পথে (ইসলামের সুরক্ষার জন্য) ও বিপদগ্রস্ত বিদেশি মুসাফির ও পথসন্তানদের জন্য। এটি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞানী ও পরম কৌশলী।’ (সুরা-৯ তাওবাহ, আয়াত: ৬০)
ওই আটটি খাতের মধ্যে সময়ের প্রয়োজন ও ফলাফল বিবেচনা করে নিকটাত্মীয়, প্রতিবেশী ও অন্যদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এতে জাকাত-ফিতরা আদায় হওয়ার পাশাপাশি নিয়াত অনুযায়ী ক্ষেত্রবিশেষ সওয়াবের পরিমাণও বাড়বে।
সূত্র: বাদায়েউস সানায়ে-৫০/২, আদদুরুল মুখতার- ৩৪৭/২, আল ফাতওয়া আল হিন্দিয়া-১৯০/১
কিউএনবি/আয়শা/১৯ মার্চ ২০২৫,/বিকাল ৫:১৮