বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‎লালমনিরহাটে ‘ভোল বদল’ রাজনীতির কারিগর সোহরাবের পদত্যাগ, আলোচনার কেন্দ্রে ‘সুবিধাবাদ’ দুর্গাপুরে হাম-রুবেলার টিকার ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলই ‘প্রকৃত সন্ত্রাসী’: পেজেশকিয়ান নেত্রকোণায় পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ পালিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে নেত্রকোনায় ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন আশুলিয়ায় হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন বাংলাদেশ সিরিজ থেকে শিখতে চায় নিউজিল্যান্ড ঢাবির কলা অনুষদের উদ্যোগে দিনব্যাপী বাংলা নববর্ষ উদযাপিত সভাপতি তামিম প্রসঙ্গে যা বললেন অধিনায়ক মিরাজ নরসিংদীতে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ 

উত্তরাখণ্ডে বন তহবিলের অর্থে কেনা হলো আইফোন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের উত্তরাখণ্ডে বন বিভাগের তহবিল ব্যবহারে গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে। ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) ২০২১-২২ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বন সংরক্ষণের জন্য বরাদ্দ অর্থে কেনা হয়েছে আইফোন ও অফিস সজ্জার সামগ্রী।

গতকাল শুক্রবার উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে সিএজি প্রতিবেদন পেশ করা হয়। এতে দেখা গেছে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে শ্রমিক কল্যাণে সরকারের অনুমতি ছাড়াই ৬০৭ কোটি রুপি ব্যয় করা হয়েছে। পাশাপাশি, বনভূমি হস্তান্তরের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ (সিএএমপিএ)-এর ১৪ কোটি রুপি বরাদ্দের বাইরে অন্যান্য খাতে ব্যয় করা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে ল্যাপটপ, ফ্রিজ, কুলার কেনা, ভবন সংস্কার এবং মামলার খরচ চালানো হয়েছে। অথচ, এই তহবিলের অর্থ শুধুমাত্র বন সংরক্ষণে ব্যবহার করার কথা।

সিএএমপিএ-র নীতিমালা অনুসারে, তহবিল পাওয়ার পর এক বা দুই বছরের মধ্যে বনায়ন কাজ সম্পন্ন করতে হয়। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৭টি ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন করতে আট বছরেরও বেশি সময় লেগেছে।

সিএজি ভুলভাবে জমি নির্বাচনের বিষয়েও অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেছে। এ ছাড়া, বনভূমি হস্তান্তরের নিয়ম লঙ্ঘন করে প্রকল্পের কাজ পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়ক, বিদ্যুৎ লাইন, জল সরবরাহ লাইন, রেলপথ এবং অফ-রোড প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রীয় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হলেও বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ৫২টি ক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়াই কাজ করা হয়েছে।

এছাড়া, রোপণ করা গাছের বেঁচে থাকার হারও বাস্তবের তুলনায় বেশি দেখানো হয়েছে। ২০১৭-২২ সময়কালে এই হার ছিল মাত্র ৩৩ শতাংশ, যা বন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ৬০-৬৫ শতাংশের তুলনায় অনেক কম।

সিএজি প্রতিবেদনে সরকারি হাসপাতালগুলোর অনিয়মও উঠে এসেছে। কমপক্ষে তিনটি সরকারি হাসপাতালে ৩৪টি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে কিছু ওষুধ দুই বছর আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কিউএনবি/অনিমা/২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫,/বিকাল ৪:২৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit