শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চাঁদ দেখা যায়নি, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট এম‌পির সুনাম নষ্টের পাঁয়তারা করছে আ.লীগ ও জামায়াতপন্থীরা: সম্রাট মোল্লা  মিয়ানমারে পাচার হচ্ছিল ১,৩৬০ বস্তা সিমেন্ট, গ্রেপ্তার ৩ নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালককে ধরে নিয়ে গুলি সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল খুনের রহস্য উদঘাটনে নতুন ইস্যু আলোচনায় নেত্রকোণার যুবলীগ নেতা বাপ্পার নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল ৭৬০ বস্তা সারসহ পাঁচ পাচারকারী আটক ঠিকানা বদলেও ৯ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার দেবীগঞ্জে শহীদ সাজু মিয়ার ২য় শাহাদাতবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত ও ন্যায়বিচারের দাবি ব্লাস্টের

উত্তরাখণ্ডে বন তহবিলের অর্থে কেনা হলো আইফোন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের উত্তরাখণ্ডে বন বিভাগের তহবিল ব্যবহারে গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে। ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) ২০২১-২২ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বন সংরক্ষণের জন্য বরাদ্দ অর্থে কেনা হয়েছে আইফোন ও অফিস সজ্জার সামগ্রী।

গতকাল শুক্রবার উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে সিএজি প্রতিবেদন পেশ করা হয়। এতে দেখা গেছে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে শ্রমিক কল্যাণে সরকারের অনুমতি ছাড়াই ৬০৭ কোটি রুপি ব্যয় করা হয়েছে। পাশাপাশি, বনভূমি হস্তান্তরের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ (সিএএমপিএ)-এর ১৪ কোটি রুপি বরাদ্দের বাইরে অন্যান্য খাতে ব্যয় করা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে ল্যাপটপ, ফ্রিজ, কুলার কেনা, ভবন সংস্কার এবং মামলার খরচ চালানো হয়েছে। অথচ, এই তহবিলের অর্থ শুধুমাত্র বন সংরক্ষণে ব্যবহার করার কথা।

সিএএমপিএ-র নীতিমালা অনুসারে, তহবিল পাওয়ার পর এক বা দুই বছরের মধ্যে বনায়ন কাজ সম্পন্ন করতে হয়। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৭টি ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন করতে আট বছরেরও বেশি সময় লেগেছে।

সিএজি ভুলভাবে জমি নির্বাচনের বিষয়েও অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেছে। এ ছাড়া, বনভূমি হস্তান্তরের নিয়ম লঙ্ঘন করে প্রকল্পের কাজ পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়ক, বিদ্যুৎ লাইন, জল সরবরাহ লাইন, রেলপথ এবং অফ-রোড প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রীয় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হলেও বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ৫২টি ক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়াই কাজ করা হয়েছে।

এছাড়া, রোপণ করা গাছের বেঁচে থাকার হারও বাস্তবের তুলনায় বেশি দেখানো হয়েছে। ২০১৭-২২ সময়কালে এই হার ছিল মাত্র ৩৩ শতাংশ, যা বন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ৬০-৬৫ শতাংশের তুলনায় অনেক কম।

সিএজি প্রতিবেদনে সরকারি হাসপাতালগুলোর অনিয়মও উঠে এসেছে। কমপক্ষে তিনটি সরকারি হাসপাতালে ৩৪টি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে কিছু ওষুধ দুই বছর আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কিউএনবি/অনিমা/২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫,/বিকাল ৪:২৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit