শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ট্রাম্পের যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্তে হতবাক নেতানিয়াহু, জানতেন না কিছুই! ‘নিজের চেষ্টায় উন্নত হতে হবে’, চীনের উদাহরণ টানলেন মির্জা ফখরুল ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি, আতঙ্কিত হবেন না: গভর্নর ৮৯ দিনে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৬৪৩ জনের ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হচ্ছে রবিবার রাজধানীতে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ বাজেটে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে: অর্থমন্ত্রী স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলায় অভিষেককে সিআইডির সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ প্রস্তাবিত বাজেট জাতির বাস্তব চাহিদার প্রতিফলন নয়: মামুনুল হক যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো চুক্তিতেই হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না ইরান

আজান দেওয়ার ফজিলত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৭৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য আজান দেওয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা। আজানের সূচনা নিয়েও আছে এক চমকপ্রদ ঘটনা। আজান দেওয়া স্বতন্ত্র একটি ইবাদত। তাই বিনা অজুতে আজান দেওয়া অপছন্দনীয় কাজ।

আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, ‘বিনা অজুতে কেউ যেন নামাজের আজান না দেয়।’
(সুমানে তিরমিজি, হাদিস : ২০১)

আজান দেওয়ার ফজিলত অনেক। আজান দেওয়াকে অনেকে খাটো চোখে দেখে, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, অপমান ও লাঞ্ছনাকর পেশা মনে করে। অথচ আজান দেওয়ায় আছে বহু সওয়াব।

আছে জাহান্নাম থেকে মুক্তিনামা। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি নেকির আশায় একাধারে সাত বছর আজান দেবে তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে নাজাত নির্ধারিত আছে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২০৬)
অনেক সময় এমন হয় যে আজান দেওয়ার জন্য মানুষ পাওয়া যায় না। আজান দেওয়াকে গুরুত্বহীন ও নিম্ন শ্রেণির পেশা মনে করা হয়।

অথচ আজানের গুরুত্ব কেমন—তা নিম্নোক্ত হাদিস থেকে অনুমেয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মানুষ যদি জানত, আজান দেওয়া এবং সালাতের প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে কী ফজিলত আছে, তবে তা পাওয়ার জন্য লটারি ছাড়া উপায় না থাকলে তারা তার জন্য লটারি করত। আর তারা যদি জানত যে দ্বি-প্রহরের (জোহর ও জুমা) সালাতের প্রথম সময়ে গমনে কী রয়েছে, তবে তার দিকে দ্রুতগতিতে ধাবিত হতো। আর তারা যদি জানত ইশা ও ফজরের সালাতে কী আছে, তাহলে উভয় সালাতের জন্য অবশ্যই হামাগুড়ি দিয়ে হলেও উপস্থিত হতো। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৬৭১)

তবে হ্যাঁ, মুয়াজ্জিনের কণ্ঠস্বর উঁচু হওয়া ভালো।

যাতে আজানের আওয়াজ অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছে এবং মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে মসজিদে আসতে পারে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছেন যে মুয়াজ্জিনের আওয়াজের দূরত্ব পরিমাণ করে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে এবং প্রত্যেক শুষ্ক ও আর্দ্র জিনিস (অর্থাৎ জীবন্ত ও মৃত প্রত্যেক জিনিস) তার (ঈমানের) পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবে। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৬৪৫)

মুয়াজ্জিনের জন্য নবীজি (সা.) দোয়া করেছেন। মুয়াজ্জিন বড়ই ভাগ্যবান। কারণ স্বয়ং নবী (সা.) তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ইমাম হলেন (নামাজের) জামিন এবং মুয়াজ্জিন হলেন আমানতদার। হে আল্লাহ! ইমামকে সৎপথ দেখাও এবং মুয়াজ্জিনকে মাফ করো।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২০৭)

কিউএনবি/অনিমা/১৩ জানুয়ারী ২০২৫,/রাত ৯:২৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit