কোরআন তেলাওয়াত করা
কোরআন তেলাওয়াত করলে ঈমান বাড়ে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যখন তাদের সামনে কোরআনের আয়াত তেলাওয়াত করা হয়, তখন তাদের ঈমান বৃদ্ধি পায়।’ (সুরা আনফাল ২)
সাহাবিদের জীবনী চর্চা করাআল্লাহ তাআলা সাহাবায়ে কেরামের ঈমানকে আমাদের ঈমানের জন্য আদর্শ বানিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘লোকেরা যেভাবে ঈমান এনেছে তোমরাও সেভাবে ঈমান আনো।’ (সুরা বাকারা ১৩)। হজরত আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) বলেন, মুহাম্মদ (স.)-এর সাহাবিরা যেভাবে ঈমান এনেছে, তোমরাও সেভাবে ঈমান আন।’ (তাফসিরে তাবারি)
আল্লাহর জিকির করাদুর্বল ঈমানের সুস্থতার জন্য জিকির খুবই উপকারী। আল্লাহর জিকির অন্তরে ঈমানের বীজ বপন করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়।’ (সুরা রা’দ ২৮)
আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করাআল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আসমান ও জমিন সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের আবর্তনে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।’ (সুরা আলে ইমরান ১৯০)
বন্ধুত্ব ও শত্রুতা আল্লাহর জন্য করামুমিনদের সঙ্গে সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব রাখা আর কাফেরদের সঙ্গে শত্রুতা রাখা ও সম্পর্কচ্ছেদ করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিঃসন্দেহে তোমাদের বন্ধু হচ্ছেন কেবল আল্লাহ, রসুলুল্লাহ (স.), ঈমানদারেরা, নামাজ কায়েমকারী, জাকাত আদায়কারী এবং রুকু আদায়কারী।’ (সুরা মায়িদা ৫৫)। রসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যে আল্লাহর জন্য ভালোবাসে, আল্লাহর জন্য ঘৃণা করে, আল্লাহর জন্য প্রদান করে এবং আল্লাহর জন্য প্রদান থেকে বিরত থাকে সে ঈমান পরিপূর্ণ করেছে। (আবুদাউদ ৪৬৮১)
নম্রতা ও লজ্জাশীলতা ধারণ করা
হাদিসে লজ্জাকে ঈমানের অঙ্গ বলা হয়েছে। হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রসুলুল্লাহ (স.) এক আনসারি সাহাবি পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সাহাবি তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে উপদেশ দিচ্ছিলেন। রসুলুল্লাহ (স.) বললেন, তাকে ছেড়ে দাও। কেননা, লজ্জা ঈমানের অঙ্গ।’ (বুখারি ২৪; মুসলিম ৩৬; তিরমিজি ৬২১৫) সর্বোপরি নিজের ঈমান বৃদ্ধির জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়াও করতে হয়। কেননা যেকোনো কিছু প্রথমে আল্লাহ তাআলার কাছে চাইতে হয়।