শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসই নদীশাসনের প্রত্যয়, লালমনিরহাটে তিন মন্ত্রীর ব্যারাজ ও ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন লন্ডনে এক পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস, এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ আটোয়ারীতে আগমনী কুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধী সমাজকল্যাণ সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা, গাছের চারা বিতরণ ও অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরিবর্তন করা হচ্ছে সেই দুই ইউনিয়নের নাম পুরোনো ভিডিও দিয়ে নোয়াখালীতে মিছিলের গুজব ছড়াচ্ছে আ.লীগ:পুলিশ নওগাঁয় আর.সি.সি রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন যাত্রী ছাউনিতে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় নোয়াখালীতে সাত ইয়াবাসেবীর কারাদণ্ড পাবনায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর আয়োজনে অর্থনৈতিক শুমারি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : যেসব মুসলিম নর-নারীর মালিকানায় মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা অথবা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের সম্পদ ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় থাকবে, তার নিজের এবং তার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব।

রমজানের রোজা পালনে যে ব্যক্তি অক্ষম ওই ব্যক্তি নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে তার ওপরও সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে। নেসাবের ক্ষেত্রে সোনা, রুপা, নগদ অর্থ, ব্যবসায়িক পণ্য এবং অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্রও হিসাব করতে হবে। সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে উল্লিখিত সম্পদের মালিকানা বছর অতিক্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে জাকাত ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে নেসাব পরিমাণ মাল মালিকানায় আসার পর বছর অতিক্রান্ত হতে হয়।

মাতা-পিতা ও প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব নয়; তবে তাদের পক্ষ থেকে প্রদান করলে আদায় হয়ে যাবে। যাদেরকে জাকাত প্রদান করা যায় এমন গরিব অসহায়দেরকে সদকাতুল ফিতর প্রদান করতে হবে। জাকাতের নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিককে, নিজের মাতা-পিতা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনিদেরকে এবং স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সদকাতুল ফিতর দিতে পারবেন না। একজনের ফিতরার সমপরিমাণ একেকজন গরিবকে প্রদান করা উত্তম। কম-বেশি হারে আদায় করা বৈধ আছে।

যব, পনির, খেজুর ও কিশমিশ দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করা যায়। সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩ কেজি ২৭০ গ্রাম অথবা এর সমমূল্য প্রদান করতে হবে। গম দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করা যায়। সে ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১ কেজি ৬৩৫ গ্রাম অথবা এর সমমূল্য প্রদান করতে হবে। সদকাতুল ফিতর আদায় করার মানদণ্ড পাঁচটি দ্রব্য রাখার মূল রহস্য হলো- যে ব্যক্তি উল্লিখিত পাঁচটি দ্রব্যের যেটি দ্বারা আদায় করার সামর্থ্য রাখেন ওই দ্রব্যটি দ্বারা যেন তিনি সদকাতুল ফিতর আদায়ের সুযোগ লাভ করতে পারেন।

অতএব, পাঁচটি দ্রব্যের যেকোনো একটি দ্রব্য অথবা এর সমমূল্য সদকাতুল ফিতর হিসেবে আদায় করলে তা আদায় হয়ে যাবে। বাংলাদেশে গমের মাধ্যমে সদকাতুল ফিতর আদায় করা হলে প্রায় ১১০ টাকা হয়; যা অন্য চারটি দ্রব্যের তুলনায় সর্বনিম্ন পরিমাণ। ১১০ টাকা প্রদান করলে ফিতরা আদায় হবে। তবে সবাই যদি এই সর্বনিম্ন পরিমাণে আদায় করেন তাহলে উচ্চ পরিমাণে আদায় কে করবেন?

অতএব, যে ব্যক্তি উল্লিখিত পাঁচটি দ্রব্যের মধ্যে যার দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করার সামর্থ্য রাখেন সেই দ্রব্য দ্বারা আদায় করাই তার জন্য সমীচীন এবং উত্তম হবে। যবের হিসাবে ৫৯৫ টাকা, খেজুরের হিসাবে ২৪৭৫ টাকা, কিশমিশের হিসাবে ২৬৪০ টাকা এবং পনিরের হিসাবে বর্তমানে ফিতরা হবে প্রায় ২৮০৫ টাকা।

লেখক : গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।

কিউএনবি/অনিমা/০৯ মার্চ ২০২৬,/রাত ১০:২৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit