স্পোর্টস ডেস্ক : ফুটবল কিংবদন্তি ঘরে জন্ম। বাবার অনুপ্রেরণায় ছোট থেকেই তাই ফুটবলের সঙ্গে সখ্যতা এনজোর। ফুটবলের যাত্রাটা শুরু জুভেন্টাস একাডেমিতে। বাবার মতো তিনিও মিডফিল্ডারের ভূমিকায় খেলা শুরু করেন। ২০০৪ থেকে এক দশক খেলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলে। ২০১৪ সালে রিয়াল মাদ্রিদের ‘সি’ দলের হয়ে অভিষেক হয় তার। এক বছর পর সুযোগ পান স্প্যানিশ ক্লাবটির ‘বি’ দলে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০১৬ সালের নভেম্বরে মূল দলে খেলার সুযোগ পান তিনি। রিয়ালের কোচের দায়িত্বে তখন তার বাবা জিদান।
কোপা দেল রের সে ম্যাচে ইসকোর পরিবর্তে মাঠে নেমে গোলও করেন এনজো। ৬-১ ব্যবধানে জয় পায় দল। কিন্তু ওই এক ম্যাচের পর আর কখনো মূল দলে খেলার সুযোগ পাননি তিনি। পরের বছর এনজো পাড়ি দেন আরেক স্প্যানিশ ক্লাব আলাভেসে। সেখানেও খুব একটা সুযোগ মেলেনি তার। মাত্র ২ ম্যাচ খেলে পাড়ি দিতে হয় সুইস ক্লাব লউসান-স্পোর্টে। এরপর ২০২৩ সাল পর্যন্ত বদলেছেন একাধিক ক্লাব।
সবশেষ স্প্যানিশ তৃতীয় বিভাগের দল ফুয়েনলাব্রাদা’র হয়ে খেলেছেন তিনি। কিন্তু চলতি মৌসুমে তাকে আর কোনো দল ভেড়ায়নি। সব মিলিয়ে ২১৫ ম্যাচ খেলে ১৬ গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি। ক্লাব ফুটবলের বাইরে স্পেন অনূর্ধ্ব-১৫ ও ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-১৯ এর হয়ে খেলেছেন জিদানপুত্র। কিংবদন্তি ফুটবলারের সন্তান হিসেবে সব সময়ই তার উপর ছিল বাড়তি চাপ। সমালোচনায় বারবার বিদ্ধ হতে হয়েছে, শুনতে হয়েছে খোটা।
এনজো বলেন, ‘মানুষ তুলনা করে, সমালোচনা করে, অনেক বেশি চায় এবং বলে তুমি এখানে তোমার বাবার কারণে। অনেকে আরও অনেক বিষয় নিয়ে সমালোচনা করে। এটা কখনো পরিবর্তন হবে না। কিন্তু আমি চেষ্টা করেছি, মাথা থেকে এসব ঝেড়ে কীভাবে নিজে সেরা হওয়া যায় সেদিকে নজর দিতে। মানুষ কি বলে সেটা নিয়ে আমি ভাবি না।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমার পরিবার আমাকে নিয়ে গর্বিত। আমি শুধু এনজো হিসেবেই বেড়ে উঠতে চাই আর কিছু চাই না।’অনেক চেষ্টা করেও ফুটবলার হিসেবে ক্যারিয়ারটা রাঙাতে পারেননি এনজো। শেষমেশ বিরক্ত হয়ে মাত্র ২৯ বছর বয়সে ফুটবলের ইতি টানলেন তিনি। এনজো জিদানের বড় ছেলে। তার আরও তিনটি ছেলে আছে। যারাও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত।
কিউএনবি/আয়শা/২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/রাত ১০:১৫