বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাঞ্চ নিয়ে মহা-আবেগ, কিন্তু আসল নির্মমতা থেকে যাচ্ছে আড়ালে! জন্মদিনে ১৬ কোটির হীরার কেক কাটলেন উর্বশী বিমানবন্দরে এসে জানলেন ছুটি বাতিল, প্রতিবাদ করে ভাইরাল ভারতীয় তরুণী ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা নতুন নতুন অস্ত্র দেখালো ইরানি বিপ্লবী গার্ড নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে ভুয়া সাংবাদিকের জেল ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে পাঁচ বছর হাইকোর্টের বিচারপতির আসনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কালকেই তৃতীয় দফায় আলোচনায় বসছে ইরান সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব: প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটে ভোক্তা অধিকার ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান, ৩টি  প্রতিষ্ঠানকে  জরিমানা

ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে পাঁচ বছর হাইকোর্টের বিচারপতির আসনে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে উচ্চ আদালতে বিচারপতির আসনে বসে একের পর এক রায় দিয়েছেন তিনি, অথচ তার আইন বিষয়ের ডিগ্রিটিই ছিল জাল। খোদ পাকিস্তান থেকে আসা এই নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে সে দেশের বিচার বিভাগে। 

ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক মাহমুদ জাহাঙ্গিরির নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করে সম্প্রতি ১১৬ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত রায় প্রকাশ করেছে আদালত। সোমবার প্রকাশিত এই রায়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, জাহাঙ্গিরির ডিগ্রিটি শুরু থেকেই অকার্যকর ছিল, ফলে বিচারপতি হিসেবে তার দায়িত্ব পালন আইনত ভিত্তিহীন।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন তারিক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি। কিন্তু গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই তার বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সরবরাহ করা মূল নথিপত্রের ভিত্তিতে আদালত নিশ্চিত হয়েছে যে, জাহাঙ্গিরির শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত নথিসমূহ ভুয়া। নথিতে আরও দেখা গেছে যে, তিনি পরীক্ষায় জালিয়াতি এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৮৮ সালে জাহাঙ্গিরি একটি ভুয়া এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে পরীক্ষায় বসেন এবং নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু সেই শাস্তি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে পরের বছরই ‘তারিক জাহাঙ্গিরি’ নামে ইমতিয়াজ আহমেদ নামের অন্য এক শিক্ষার্থীর এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে পুনরায় পরীক্ষায় বসেন তিনি। এমনকি গভর্নমেন্ট ইসলামিয়া ল কলেজের অধ্যক্ষ আদালতকে জানিয়েছেন যে, জাহাঙ্গিরি কোনোদিন তাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তিই হননি।

বিচারপতি থাকাকালীন বারবার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও জাহাঙ্গিরি তার সপক্ষে কোনো মূল নথি বা লিখিত জবাব পেশ করতে পারেননি। উল্টো তিনি সময়ক্ষেপণের কৌশল হিসেবে প্রধান বিচারপতির অপসারণ এবং মামলার শুনানি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান। 

শেষ পর্যন্ত মামলাকারীর পেশ করা প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, নিজের আইনগত যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হওয়াতেই তার এই পরিণতি। এই ঘটনা পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।

সূত্র: এনডিটিভি

কিউএনবি/অনিমা/২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ৮:১৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit