রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মারা গেছেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় নরসিংদীতে দোয়া মাহফিল পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ ঢুকতে দেওয়া হবে না : ইরান অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেও নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার অনলাইন অর্ডারেই হোম ডেলিভারি মিলছে মরণঘাতী দেশীয় অস্ত্র মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ফিলিপিন্সের ৪ পাইলট নিহত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে মিথ্যাচার করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী গাজীপুরে পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে পাঁচ বছর হাইকোর্টের বিচারপতির আসনে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে উচ্চ আদালতে বিচারপতির আসনে বসে একের পর এক রায় দিয়েছেন তিনি, অথচ তার আইন বিষয়ের ডিগ্রিটিই ছিল জাল। খোদ পাকিস্তান থেকে আসা এই নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে সে দেশের বিচার বিভাগে। 

ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক মাহমুদ জাহাঙ্গিরির নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করে সম্প্রতি ১১৬ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত রায় প্রকাশ করেছে আদালত। সোমবার প্রকাশিত এই রায়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, জাহাঙ্গিরির ডিগ্রিটি শুরু থেকেই অকার্যকর ছিল, ফলে বিচারপতি হিসেবে তার দায়িত্ব পালন আইনত ভিত্তিহীন।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন তারিক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি। কিন্তু গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই তার বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সরবরাহ করা মূল নথিপত্রের ভিত্তিতে আদালত নিশ্চিত হয়েছে যে, জাহাঙ্গিরির শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত নথিসমূহ ভুয়া। নথিতে আরও দেখা গেছে যে, তিনি পরীক্ষায় জালিয়াতি এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৮৮ সালে জাহাঙ্গিরি একটি ভুয়া এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে পরীক্ষায় বসেন এবং নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু সেই শাস্তি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে পরের বছরই ‘তারিক জাহাঙ্গিরি’ নামে ইমতিয়াজ আহমেদ নামের অন্য এক শিক্ষার্থীর এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে পুনরায় পরীক্ষায় বসেন তিনি। এমনকি গভর্নমেন্ট ইসলামিয়া ল কলেজের অধ্যক্ষ আদালতকে জানিয়েছেন যে, জাহাঙ্গিরি কোনোদিন তাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তিই হননি।

বিচারপতি থাকাকালীন বারবার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও জাহাঙ্গিরি তার সপক্ষে কোনো মূল নথি বা লিখিত জবাব পেশ করতে পারেননি। উল্টো তিনি সময়ক্ষেপণের কৌশল হিসেবে প্রধান বিচারপতির অপসারণ এবং মামলার শুনানি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান। 

শেষ পর্যন্ত মামলাকারীর পেশ করা প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, নিজের আইনগত যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হওয়াতেই তার এই পরিণতি। এই ঘটনা পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।

সূত্র: এনডিটিভি

কিউএনবি/অনিমা/২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ৮:১৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit