ডেস্ক নিউজ :পারস্য উপসাগরের কৌশলগত উপকূলীয় এলাকা এবং ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপগুলোতে ‘কম্বাইন্ড ১৪০৪’ নামক সামরিক মহড়ায় নতুন নতুন অস্ত্র প্রদর্শন করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবারের এই মহড়ায় আধুনিক যুদ্ধকৌশল এবং সর্বাধুনিক সমরাস্ত্রের সমন্বয় করেছে তারা। সমসাময়িক যেকোনো বহিঃশত্রুর হুমকি মোকাবিলায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই মহড়া আয়োজন করা হয়।
অভিযানের শুরুতে রিজওয়ান লোইটারিং ড্রোন ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে শত্রুর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপরই লক্ষ্যবস্তুর ওপর নির্ভুল আঘাত হানতে আইআরজিসি তাদের আলোচিত শাহেদ-১৩৬ সুইসাইড ড্রোনের বহর মোতায়েন করে। উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও দ্বীপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ বাহিনীর প্যারাট্রুপারদের পাশাপাশি ব্যবহার করা হয়েছে প্রক্সিমিটি-ফিউজ আর্টিলারি এবং বিশেষায়িত শোর-টু-সি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। সাগরের দিক থেকে আসা সম্ভাব্য যেকোনো জলযান বা হুমকি মোকাবিলায় ভারী গোলাবর্ষণের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিমত্তা জানান দিয়েছে ইরানের এই এলিট বাহিনী।
আইআরজিসি স্থল শাখার কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ কারামি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই মহড়াটি ক্ষেপণাস্ত্র, কামান, ড্রোন এবং সাঁজোয়া বাহিনীর সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে আঞ্চলিক বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেসব সম্ভাব্য হুমকি রয়েছে, সেগুলো মাথায় রেখেই অভিযানের পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। মহড়ার বিশেষ আর্কষণ ছিল উচ্চ-নির্ভুলতার পেনিট্রেটর মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ। এই নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো চরম ইলেকট্রনিক যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যেও দিকনির্ণয় করতে সক্ষম এবং শক্তিশালী বাঙ্কার বা সাঁজোয়া কলাম ধ্বংস করতে বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে।
সূত্র: প্রেস টিভি
কিউএনবি/অনিমা/২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ৯:৩৪