আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. মুহাম্মদ রাদজি আবু হাসান।
তিনি জানান, এমপক্সে আক্রান্ত ওই রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে এবং কঠোর স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি অনুযায়ী তাদের পর্যবেক্ষণ করা হবে। উপসর্গ দেখা দেয়ার আগে গত ২১ দিনে ওই ব্যক্তির বিদেশে যাওয়ার কোনো রেকর্ডও ছিল না।
গত ১১ সেপ্টেম্বর রোগী জ্বর, গলাব্যথা ও কাশিতে আক্রান্ত হন এবং পরের দিন ১২ সেপ্টেম্বর শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয় বলে জানা গেছে। এদিকে, মালয়েশিয়ায় চলতি বছর এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এমন ৫৮টি সন্দেহভাজন কেসের মধ্যে পজিটিভ কেস শনাক্ত হয়েছে।
তীব্র জ্বর, ফোলা লিম্ফ নোড এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ফোস্কা বা ফুসকুড়ির উপস্থিতি- এমপক্সের এসব লক্ষণ সম্পর্কে সবার সতর্ক হওয়া উচিত বলেও জানান তিনি।
কিউএনবি/আয়শা/১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/রাত ৮:৫৫