আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সূত্র বলেছে, হামলার সময় সৌদির পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘আমজাদ’ এবং পানামার পতাকাবাহী ‘ব্লু লাগুন-১’ জাহাজটি পাশাপাশি এলাকায় নোঙর করা ছিল। হামলার শিকার হওয়ার পর সৌদির ট্যাংকারটি তাদের গতিপথে চলছে। তবে, এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহত হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
‘আমজাদ’র মালিক সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বাহরির তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। সৌদি মালিকানাধীন এই সুপারট্যাংকারের সর্বোচ্চ ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘ব্লু লাগুন-১’ এর গ্রিক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান সি ট্রেড মেরিন এসএরও মন্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। সুয়েজম্যাক্স এই জাহাজের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ১০ লাখ ব্যারেল।
আরেকটি সূত্র বলেছে, সৌদির মালিকানাধীন ট্যাংকারটিকে সরাসরি হামলার নিশানা বানানো হয়নি। উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। ইসরাইলের এ হামলার প্রতিবাদ এবং হামাসের প্রতি সংহতি জানিয়ে এডেন ও লোহিত সাগরে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন জাহাজে গত নভেম্বর থেকে হামলা চালাচ্ছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি। তবে, সোমবার হামলার শিকার ট্যাংকার ও জাহাজে হুতিরা হামলা করেছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
কিউএনবি/আয়শা/০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/রাত ১০:৫৫