বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাদক বিক্রেতাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ তাহসিন হত্যা মামলায় ডেভিড ইমন শ্যোন অ্যারেস্ট ছেলেদের চুল ভালো রাখার উপায় অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম থেকে উঠবেন যেভাবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ও চীনা ভাষা শিক্ষার উদ্যোগ দক্ষিণ আফ্রিকাতেও বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখার আশায় ডি ভিলিয়ার্স ফুলবাড়ীতে বিজিবির অভিযানে ৬লাখ ৩৪ হাজার টাকার মা,দক ও চোরাচালানি পণ্য আ,টক চেয়ার বা সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা ব্যবহার বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ ইনস্টাগ্রামের এক মেসেজে বদলে গেল রুক্মিণীর ভাগ্য অভিবাসন ব্যবস্থাপনা সুসংহত করতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের আহ্বান

বন্যার পানি দিয়ে অজু করা যাবে?

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৩৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : মহান আল্লাহ মানুষের পূতপবিত্র জীবনযাপন পছন্দ করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী পরিবার! আল্লাহ তো শুধু চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদের সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।’ (সুরা আহজাব: ৩৩)।

প্রাকৃতিক বন্যা সাধারণত বৃষ্টি ও নদীর পানি থেকে হয়ে থাকে। এই দুই উৎসের পানি যেহেতু পবিত্র, তাই এ পানি থেকে নাপাকি দূরীকরণ ও পবিত্রতা অর্জন করা জায়েজ। (বাদায়েউস সানায়ে: ১/১৫)
 
স্রোতের পানিতে যদিও নাপাকির সংমিশ্রণ থাকে, কিন্তু পানির রং, ঘ্রাণ বা স্বাদে কোনো পরিবর্তন না আসলে তা দিয়ে পবিত্রতা হাসিল করা জায়েজ। কিন্তু যদি অতি পরিমাণ নাপাক বস্তু মিশ্রিত হয়ে পানির গুণ বা স্বাভাবিকতা নষ্ট করে দেয় তাহলে তা নাপাক হয়ে যাবে। (ফতোয়ায়ে আলমগিরি: ১/১৬-১৭)
 
মাটি বা অন্যকোনো পবিত্র বস্তু মিশ্রিত হয়ে যদি পানিকে অতিরিক্ত ঘোলা করে দেয়, যার দরুন স্বাদ, রং, ঘ্রাণ– পানির এই তিনটি গুণের কোনো একটিতে পরিবর্তন আসে, অথবা পানির স্বাভাবিক তরলতা ও প্রবহমানতা নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সেই পানি খোদ পাক থাকবে বটে, কিন্তু তা দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করা জায়েজ হবে না। (ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া: ১/২১)
 
বন্যার পানি যখন পবিত্রতা অর্জনের অনুপযোগী হয়ে যাবে এবং পবিত্রতা অর্জনের জন্য পবিত্র পানির ব্যবস্থাও না হবে, তখন তায়াম্মুমের মাসয়ালা চলে আসবে। অর্থাৎ সে তখন মাটি, পাথর, চুনা বা দেয়াল ইত্যাদি থেকে তায়াম্মুম করে নামাজ আদায় করে নিবে।
 
তবে যদি তায়াম্মুম করার মতোও কিছু না থাকে তাহলে সে পবিত্রতা অর্জন ছাড়াই নামাজি ব্যক্তির সাদৃশ্য গ্রহণ করে নামাজ আদায় করবে এবং পরবর্তীতে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসে সেই নামাজ কাজা আদায় করে নিবে।
 
বন্যার পানি যেহেতু বিভিন্ন রোগ-জীবাণু বহন করে থাকে, যা স্বাস্থ্যে জন্য ক্ষতিকর, তাই একেবারে নিরুপায় অবস্থা ছাড়া বন্যার পানি পান করা জায়েজ হবে না। কেননা শরিয়তে অন্যের ক্ষতি সাধন যেমন নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে, তেমনি ‘ইচ্ছাকৃত’ নিজের ক্ষতি করাও নিষিদ্ধ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা নিজ হাতে নিজেদের ধ্বংসের মধ্যে ঠেলে দিয়ো না।’ (সুরা বাকারা: ১৯৫)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৫ অগাস্ট ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৫২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit