ডেস্ক নিউজ : চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার শমসের পাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে আফতাব উদ্দিন তাহসিনকে গুলি করে হত্যা মামলায় চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন প্রকাশ ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সাত্তারের আদালত এ আদেশ দেন। মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন (২৫) জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত মো. মুসার ছেলে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালের আফতাব উদ্দিন তাহসিন হত্যা মামলায় মোবারক হোসেন ইমন প্রকাশ ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন। ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে সিএমপিতে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় পর্যায়ক্রমে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করা হবে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শমসের পাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে আফতাব উদ্দিন তাহসিনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের বাবা মো. মুসা। মামলার অন্য আসামিরা হলেন,সাজ্জাদের সহযোগী মো. হাসান, মোহাম্মদ, খোরশেদ ওরফে খালাত ভাই খোরশেদ এবং মো. হেলাল। তাহসিন ইট ও বালুর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ব্যবসার জন্য আনা বালু ও ইট শমসের পাড়ার উদুপাড়া এলাকায় রাখতেন তিনি। ঘটনার দিন বিকেল সোয়া ৪টার দিকে মজুতের জন্য সেখানে এক ট্রাক বালু আনা হয়। এ কারণে আফতাব সেখানে যান। কিছুক্ষণ পর সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন সহযোগীদের নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে সেখানে এসে তাহসিনকে গুলি করে চলে যায়।
গত ২৯ জুলাই যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ দাবি করেছে, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্য ও ধারাবাহিক গোয়েন্দা অভিযানের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ৩০ জুলাই ভোরে ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
কিউএনবি/অনিমা/২৬ অগাস্ট ২০২৬,/রাত ১২:১৬