মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সেনেগালের কোচ হলেন সাবেক ফরাসি মিডফিল্ডার মুখে বলের আঘাত, আইসিইউতে আম্পায়ার যে ৫ খাবারে কমবে খারাপ কোলেস্টেরল পঞ্চমবারের মতো আইসিসির সেরা ক্রিকেটার ম্যাথিউস হরমুজকে ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ বলায় ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি নোবিপ্রবিতে সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড দাবি করে ট্রাম্পের মানচিত্র প্রকাশ আটোয়ারী উপজেলার পরিত্যক্ত পুরাতন কৃষি অফিসের জমিসহ স্থাপনা দখলের চেষ্টা ! পুলিশের বাধায় দখল কাজ বন্ধ ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা

পেকুয়ায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ৮৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : কক্সবাজারের পেকুয়ায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি করেছে একদল দুর্বৃত্ত। এসময় ট্রলার থেকে ১৫ লাখ টাকার ইলিশ লুট করা হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়ন ও উজানটিয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কাটাফাঁড়ী খালে এ ডাকাতি হয়।

ডাকাতি হওয়া ফিশিং ট্রলারের মাঝি আবুল কালাম বলেন, দশদিন আগে ২৫জন মাঝি ও জেলে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাই আমরা। সাড়ে তিন হাজার পিস ইলিশ ও অন্যান্য কিছু মাছ নিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছাই। আমরা মাছগুলো কক্সবাজারে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিই। আবহাওয়া খারাপ হলে আমরা ভোলাখাল হয়ে মাতামুহুরি নদী পাড়ি দিয়ে কক্সবাজারের পথে ট্রলার চালাচ্ছিলাম। কিন্তু পেকুয়ার সুতাচোড়া ও বিলহাসুরা এলাকায় পৌঁছামাত্র ৫০-৬০ জনের একটি ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে আমাদের ট্রলারে হামলা করে সব মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এসময় আমাদের ট্রলারের সব জেলেদের পিটিয়ে জখম করে তারা।

এদিকে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিলহাসুরা এলাকার মো. কায়সার, মগনামা ইউনিয়নের বিএনপি নেতা তৌহিদুল ইসলাম ও সজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি ডাকাত দল আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র লাঠি-সোঁটা নিয়ে ফিশিং ট্রলারে হামলা করে। এসময় ট্রলারে থাকা মাঝি ও জেলেদের পিটিয়ে জখম করে সব ইলিশ মাছ লুট করে নিয়ে যায়।

ফিশিং ট্রলারের মালিক চট্টগ্রামের আনোয়ারার কাজেম আলী। ট্রলার ডাকাতির খবর পেয়ে তিনি ছুটে আসেন পেকুয়ায়। তিনি বলেন, প্রায় পাঁচ লাখ টাকার বাজার সওদা করে ট্রলারটি সাগরে পাঠাইছিলাম। আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার মাছ ধরে মাঝিমাল্লাররা ফিরেও আসছিলো। কিন্তু ডাকাত দলের খপ্পরে পড়ে সব শেষ। আমরা এ ব্যাপারে আইনের আশ্রয় নিব।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য্য বলেন, ফিশিং ট্রলার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নৌ পুলিশ দেখে থাকে। মামলা করতে হলে সেখানেই করতে হবে। ডাকাতির ব্যাপারে জানতে অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।  

 

কিউএনবি/আয়শা/২১ অগাস্ট ২০২৪,/বিকাল ৫:৪৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit