বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নতুন ধারা বাংলাদেশ’র শান্তাসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ উত্তরাঞ্চলের তিন জেলার উন্নয়নে একটি মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ভারতের অর্থনীতি ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে: নির্মলা সীতারামন ‘তাকে ছাড়া গজনি সফল হতো না’, প্রদীপ রাওয়াতকে আমির খানের শ্রদ্ধাঞ্জলি ‘গ্রেফতারের নাটক সাজিয়ে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা’, বিধানসভায় বিজয়কে একহাত নিলেন উদয়নিধি হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৮৩ আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা গ্রেপ্তার জুলাই আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী আশুলিয়ায় ফুটপাত দখল করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

নরসিংদীর ঘোড়াশালের আনারসের খ্যাতি দেশজুড়ে

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ,নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪
  • ১৯০ Time View

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ  নরসিংদী প্রতিনিধি : স্বাদ ও গুণগতমানের কারণে সারাদেশে খ্যাতি পেয়েছে নরসিংদীর ঘোড়াশাল ও পলাশ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের আনারস । এ জেলার একটি প্রবাদ রয়েছে , রাবানের আনারস রসে টস টস । আনারস উৎপাদনের দিক থেকে এ উপজেলা বাংলাদেশের প্রসিদ্ধতম স্থান হিসেবে ব্যাপক পরিচিত ।

ঘোড়াশাল পৌর এলাকা ও জিনারদী ইউনিয়নের প্রায় তিন চতুর্থাংশ জমি আবহাওয়ার দিক থেকে আনারস চাষের উপযোগী । এসব এলাকার কৃষকদের প্রধান আয়ের উৎস ফসল হচ্ছে আনারস । আনারস অন্যতম প্রধান রসালো , সুস্বাদু ও সুমিষ্ট ফল । এসব এলাকার অধিকাংশ মানুষের জীবিকা নির্বাহ ও আয়ের উৎস ফসল হচ্ছে একমাত্র আনারস চাষ । প্রায় ৫০ বছর আগে সিলেটের আনারসের এ জাতটি ঘোড়াশালে আসে ।  ভালো হলে প্রতি বছর আনারসে এসব অঞ্চলের চাষিদের মধ্যে আয় হয় প্রায় ১০ কোটি টাকা । প্রতি একর জমিতে প্রায় ১৮ হাজার আনারসের চারা রোপণ করা হয় ।

ঘোড়াশালে পর্যাপ্ত পরিমাণ আনারস উৎপাদন হয় । তবে আনারস সংরক্ষণের জন্য কোনো স্থান না থাকায় অনেকটা বিপাকেও পড়তে হয় চাষিদের । কৃষকরা জানায় , আনারস পচনশীল ফল হিসেবে এর সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকা দরকার । আনারস সংরক্ষণের জন্য এ উপজেলায় কোনো হিমাগার আজও পর্যন্ত তৈরি হয়নি । কৃষকরা আনারস সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান ।

এ ব্যাপারে পলাশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার বলেন , এ বছর পলাশে ১৫০ হেক্টর জমিতে ১৫০০ মে.টন আনারস চাষ হয়েছে । অতি খরায় এবার আনারসের ফলন কম ও আকার ছোট হলেও আনারস খুব মিষ্টি হয়েছে । প্রতি হেক্টরে ১২ মে.টন আনারসের ফলন হয়েছে । ঘোড়াশালের আনারস দেশের মধ্যে সুস্বাদু আনারস হিসেবে পরিচিত বলে এর চাহিদা ব্যাপক ।

আনারস চাষের জন্য আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ৫০ বছরে এ জাতটি ঘোড়াশালে ব্যাপক সফলতা লাভ করে এবং এর ব্যাপক প্রসার ঘটে । ঘোড়াশালে চাষকৃত সিলেটের এ প্রজাতির আনারসের জাতটি ঘোড়াশালে জলডুগি আনারস নামে সর্বমহলে পরিচিত লাভ করে । এর বৈজ্ঞানিক নাম হল হানিকুইন । টেঙ্গর এলাকার জমিতে আনারস চাষে ভালো ফলন হয়ে থাকে ।

কৃষকরা জানান , প্রতি একর জমিতে প্রায় ১৮ হাজার আনারসের চারা রোপণ করা হয় । এই এলাকায় প্রায় পাঁচশ ‘ একর জমিতে আনারসের চাষ হয় । আনারস চাষের এলাকাগুলো হচ্ছে- রাবান , কুড়াইতলী , বড়িবাড়ি , কাটাবের , বরাব , ধলাদিয়া , গোবরিয়াপাড়া , লেবুপাড়া , সাতটিকা ও চরনগরদী । ঘোড়াশালের আনারস চাষ দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে আনারসের ফলন। 

কিউএনবি/আয়শা/০৫ জুন ২০২৪,/বিকাল ৫:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit