আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শুক্রবার (১০ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে ১০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা সীমান্ত শহর রাফাতে আশ্রয় নেন। তবে গত সোমবার (৬ মে) রাফার পূর্বাঞ্চলে স্থল অভিযান চালানো হবে বলে সেখানকের বাসিন্দাদের সরে যেতে বলে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। তাদের এই নির্দেশনার পর এখন পর্যন্ত ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ শহরটি ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
রাফা শহরের বাসিন্দারা এবং ত্রাণকর্মীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দিনভর কামান ও বিমান হামলার শব্দ ছিল অবিরাম। ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গ্রুপগুলো জানিয়েছে, তারা পূর্ব দিকে ইসরাইলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলেছে, তাদের স্থল বাহিনী পূর্ব রাফাতে ‘নির্দিষ্ট লক্ষ্যে তাদের কার্যক্রম’ চালাচ্ছে।
জাতিসংঘ আরও সতর্ক করে বলেছে, গাজায় খাদ্য ও জ্বালানি ফুরিয়ে যাচ্ছে, কারণ ভূখণ্ডটি কাছাকাছি ক্রসিং দিয়ে কোনও সাহায্য পাচ্ছে না। চলতি সপ্তাহে ইসরাইলি সেনাবাহিনী রাফাহ ক্রসিং নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তা বন্ধ করে দেয়। সে সময় জাতিসংঘ বলেছিল, সংস্থার কর্মীদের এবং সহায়তাবাহী লরিগুলোর জন্য কেরাম শালোম ক্রসিংয়ে পৌঁছানো খুবই বিপজ্জনক ছিল।
এদিকে রাফাতে হামলা করলে ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে বাইডেন প্রাশাসনের হুমকিকে উড়িয়ে দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, প্রয়োজনে ইসরাইল ‘একা’ লড়াই করবে। ফিলিস্তিনের হামাসকে পরাজিত করতে যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে তারা একা লড়বে।
কিউএনবি/আয়শা/১০ মে ২০২৪,/দুপুর ১২:১৮