বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের কঙ্গো ফেরত চিকিৎসকের মাধ্যমে ফ্রান্সে ঢুকলো ইবোলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় মধ্যস্থতা করে পাকিস্তানের লাভ কতটা? ইরানের প্রেসিডেন্টকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিল পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান বহর যুক্তরাজ্যে এক হাজারেরও বেশি স্কুল বন্ধ হরমুজ প্রণালিতে টোল না নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ইরান: ট্রাম্প কলকাতায় গুদামের ছাদ ধসে তিন জনের মৃত্যু, বহু কর্মীর চাপা পড়ার আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ ছাড়া পরমাণুকেন্দ্রে জাতিসংঘের প্রবেশাধিকার নয়: ইরান মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের বিরুদ্ধে মামলা করলো আলিবাবা অস্ত্রের মজুত কমছে, উৎপাদন বাড়াতে প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারী মারিয়া ফেলিসিয়ানা মারা গেছেন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৭৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মারিয়া ১০ বছর বয়স পর্যন্ত একজন সাধারণ কিশোরীই ছিলেন। এরপর তার বয়ঃসন্ধির সময়টায় অবিশ্বাস্যভাবে তিনি এতটা লম্বা হয়ে ওঠেন। ২০ বছর বয়সের মধ্যেই তার উচ্চতা দাঁড়ায় ৭ ফুট ৩.৮ ইঞ্চি।

মারিয়া জন্মগ্রহণ করেন আম্পারো দো সাও ফ্রান্সিসকোতে। ভালো বাস্কেটবল খেলতেন। এ ছাড়া তার তারুণ্যের সময়টায় তিনি বিভিন্ন শো-তে অংশ নেয়া শুরু করেন  এবং সার্কাসের একটি আকর্ষণীয় চরিত্র হয়ে ওঠেন। এ নিয়ে বিভিন্ন শহরও ঘুরেছেন তিনি। এরপর একটু পরিচিত হয়ে উঠলে ৬০-এর দশকে তাকে ‘উচ্চতার রানি’ উপাধি দেয়া হয়।

১৯৭০ সালে আরাকাজুতে শহরের সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিংটি মারিয়ার নামে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিল্ডিংটির নাম ছিল এস্তাদো দে সার্জিপ। এটি ২৮তলা বিশিষ্ট। এর মধ্য দিয়ে মারিয়া ব্রাজিলের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।

 

আরাকাজু শহরের এই ভবনটি মারিয়ার নামে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ছবি:সংগৃহীত

 

২০২২ সালের মে মাসে, ভবনটির প্রবেশদ্বারে মারিয়ার একটি মূর্তি বানিয়ে তাকে সম্মানিত করা হয়। তার মৃত্যুর পর আরাকাজুর মেয়র এডভালডো নোগুইরা রাজধানীতে তিন দিনের শোক ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, মারিয়া ফেলিসিয়ানার মৃত্যুর খবর পাওয়াটা দুঃখজনক। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারীদের একজন। আমার মনে আছে যে আমি মারিয়া ফেলিসিয়ানাকে প্রথম যখন দেখেছিলাম আমি তখন একটি শিশু ছিলাম।

সার্জিপের গভর্নর ফ্যাবিও মিতিদিয়েরিও মারিয়ার দুঃখজনক মৃত্যুতে তার অনুভূতি ভাগ করেছেন। বলেন,মারিয়া ফেলিসিয়ানা ডস সান্তোসের মৃত্যুর খবর পেয়ে মর্মাহত হয়েছি। আমাদের রাজ্যের বৃহত্তম ভবনে তার নাম অমর হয়ে আছে। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন।

মারিয়া ১৯৭৩ সালে ২৭ বছর বয়সে অ্যাসুয়ার্স জোসে ডস সান্তোসকে বিয়ে করার পর তার আর শো করেননি। মারিয়া সান্তোসের তিন সন্তান। দুজন ছেলে যাদের উচ্চতা প্রায় ৭ ফুট। আর একটি মেয়ে। শেষ জীবনটাতে তিনি ১৫ বছর হুইলচেয়ারে ছিলেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঘরবন্দি ছিলেন বিশ্বের অন্যতম লম্বা এই নারী। 

মারিয়া ফেলিসিয়ানার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তার বাবা আন্তোনিও টিন্টিনো দা সিলভা ৭ ফুট ৮.৭ ইঞ্চি। এবং তার পিতামহ ৭ ফুট ৫.৪ ইঞ্চি লম্বা ছিলেন। বর্তমানে বসবাসকারী বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মহিলা তুরস্কের রুমেসা গেলগি। যার উচ্চতা ৭ ফুট 0.৭১ ইঞ্চি।

সূত্র: ডেইলি মেইল

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৯ এপ্রিল ২০২৪,/বিকাল ৩:১৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit