অথচ এর ঠিক আগেই জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে, খুব শিগগিরই সংস্থার পরিদর্শকরা ইরানের পরমাণুকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করতে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে সুইজারল্যান্ডের বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান চিরকালের জন্য তাদের পরমাণুকেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের পরিদর্শনের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও একই সুর মিলিয়ে পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।
মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য মূলত দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়ার মূল জটিলতাকে আবারও সামনে এনেছে। ইরানের পরমাণু মজুতের ভবিষ্যৎ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার— এই দুই দেশের মধ্যকার আলোচনার প্রধান অন্তরায় হিসেবে রয়ে গেছে, যা চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে সমাধানের লক্ষণ দেখাচ্ছে না।
সূত্র: সিএনএন