ডেস্ক নিউজ : সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারের এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচন পরবর্তী জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ নির্বাচন বয়কট করেছে দাবি করে অলি আহমেদ বলেন, ‘মাত্র ৫-১০ শতাংশ মানুষ ভোটকেন্দ্রে গেছে। ২০১৮ সালের সঙ্গে আজকের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। পর্যবেক্ষকের নামে ভাড়াটে বিদেশিদের দিয়ে নিজেদের পক্ষে কথা বলাচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। শিগগির সরকারকে বিদায় নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম বৃথা যায়নি। ৭ জানুয়ারি ভোট বর্জনে আমরা ৯৫ শতাংশ সফল হয়েছি। জনগণ সচেতন হয়েছে, দেশের ভালোমন্দ পার্থক্য করার ক্ষমতা অর্জন করেছে। যুব সমাজ এতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ দেশকে তোমাদের সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। কারও দাসত্ব করার জন্য দেশ স্বাধীন হয়নি।
ভোট চোর, দুর্নীতিবাজ, টাকা পাচারকারী, কৃত্রিমভাবে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিকারী, গণতন্ত্র ধ্বংসকারী এবং জনগণকে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিতকারীদের ওপর গজব নেমে এসেছে উল্লেখ করে অলি বলেন, ‘জনগণ তাদের দাঁতভাঙ্গা উচিত জবাব দিয়েছে। সরকারের প্রতি জনগণ অনাস্থা জানিয়েছে। জনগণ থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।’
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশে এলডিপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এতকিছুর পরও সরকারকে কেন ভোট জালিয়াতির আশ্রয় নিতে হল। জনগণ কেন আপনাদের সমর্থন করছে না। আপনারা কী কী কারণে জনবচ্ছিন্ন হলেন তা সঠিকভাবে নির্ভরযোগ্য (তৈল মোর্দনকারীদের বাদ দিয়ে) ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করার ব্যবস্থা নিন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ক্ষমতা ছাড়ার পন্থা বের করুন। হাতে সময় খুব বেশি নাই। যতই লাফালাফি করেন না কেন লাভ নাই, বাস্তব ভিন্ন, জনরোষে পড়তে পারেন।’
কিউএনবি/আয়শা/০৮ জানুয়ারী ২০২৪,/বিকাল ৫:৪৪