স্পোর্টস ডেস্ক : সময়টা যেন ৭ গোলের। ক্রোয়েশিয়ার জালে ইংল্যান্ড দিয়েছে ৭ গোল, বুরকিনা ফাসোর জালেও আর্জেন্টিনা জড়িয়েছে ৭ গোল। এবার বার্সেলোনা নারী দলও সে পথেই হাঁটল। ৭ গোল করেছে দলটি। সেটাও আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে! রোববার সন্ধ্যায় স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে হওয়া ম্যাচে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন ক্লাউদিয়া পিনা। তিনি একাই করেছেন চার গোল।
এরপর নিশ্চিত দ্বিতীয় গোল থেকে রিয়ালকে বাঁচান ক্রিস্তোবাল। গিহারোর কাছ থেকে নেওয়া একটি শট তিনি কাছ থেকে ঠেকিয়ে দেন। দর্শকেরা তখন গোলের উল্লাস শুরু করে দিয়েছিলেন। ম্যাচে ফেরার রিয়ালের চেষ্টা কোনো কিছুতেই গড়ায়নি। শ্রোডার ও কাইসেদোর মতো আক্রমণের প্রধান অস্ত্রগুলো পুরো ম্যাচে হারিয়ে ছিলেন। বার্সেলোনা বল দখলে রেখে এবং পাল্টা আক্রমণে খেলা নিয়ন্ত্রণ করে। এমনই এক পাল্টা আক্রমণ থেকে আসে দ্বিতীয় গোল। বাইয়োরের প্রথম শট ফিরে এলে পিনা সেটি জালে জড়িয়ে ব্যবধান বাড়ান। এরপর গিহারোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে পিনা হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ডান পায়ের জোরালো শটে তিনি আবার ফ্রোমসকে পরাস্ত করেন।
বার্সা থামেনি। চতুর্থ গোলটি করেন গ্রাহাম। বাইয়োরের সঙ্গে পাস বিনিময় করে তিনি লাকরারকে কাটিয়ে ওঠেন। এরপর দারুণভাবে বল জালে পাঠান। প্রথমার্ধ শেষ হয় পিনার চতুর্থ গোলে। এটি বার্সেলোনার পঞ্চম গোল। বাইয়োরের সঙ্গে আবার দারুণ বোঝাপড়া করেন তিনি। চতুর রকম এক টাচে রিয়ালের ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে নিজের গোলটি করেন।
দ্বিতীয়ার্ধও শুরু হয় প্রথমার্ধের মতো করেই। গিহারোর লম্বা পাসে গোলের সামনে চলে যান গ্রাহাম। নরওয়ের এই খেলোয়াড় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইয়োরের জন্য সাজিয়ে দেন। বাইয়োর করেন সন্ধ্যার ষষ্ঠ গোল। আরও গোলের খোঁজে থাকা বার্সেলোনা সপ্তম গোল পায় শের্টেনলাইবের কল্যাণে। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের বুলেট শটে তিনি ফ্রোমসকে পরাস্ত করেন। পরের ম্যাচে ১৮ অক্টোবর বার্সেলোনা মুখোমুখি হবে রিয়াল সোসিয়েদাদের। রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ সেদিন এস্পানিওল।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ অক্টোবর ২০২৬,/কিকাল ৪:০০