জানা যায়, গভীর রাতে বন্ধ ঘর থেকে স্বর্ণার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে শাশুড়ি হোসনে আরা বেগম স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে পুলিশ ও স্বর্ণার পরিবারকে খবর দেয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে স্বর্ণার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। এ সময় স্বর্ণার পা খাটের সঙ্গে লাগানো ছিল এবং স্বর্ণার দুই বছর বয়সী কন্যা রুপা মায়ের পা ধরে চিৎকার করে কাঁদছিল।
নিহতের ভাই ইয়াসিন বলেন, ‘গতকাল রাতে স্বর্ণা ফোন দিয়ে আমাকে বাঁচান, আমাকে বাঁচান বলে ফোন কেটে দেয়। সকালে গিয়ে তাকে দেখে আসব বললেও তার আগেই তার মৃত্যুর খবর পাই। আমার বোনকে যৌতুকের দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। লাশের পা খাটের সঙ্গে লাগানো ছিল।’
ফেনী মডেল থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।’