দেখা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় হিমেল বাতাস। এরপর রাতভর বৃষ্টির মতো টিপটিপ করে ঝরা কুয়াশা ঝরে। সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা থাকছে গোটা জনপদ। এতে করে দিনের বেলায়ও যানবাহনকে লাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কমলেও বিকেল গড়াতেই আবারও শীত অনুভূত হতে থাকে। কনেকনে শীতে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষ এ আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হিমশিম খাচ্ছেন।নওগাঁর সদরের উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মান্নান বলেন, হঠাৎ খুব ঠান্ডা পড়ছে। সকাল থেকে ঘনকুয়াশা। কুয়াশার জন্য বেশি ঠান্ডা লাগছে। খুব সমস্যা পোহাতে হচ্ছে আমাদের।
কাঁঠখইর এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন বলেন, কয়েকদিন থেকে খুবই শীত। এরকম ঠান্ডা ও শীত হলে আমাদের দৈনন্দিন কাজ-কর্ম
করতে ব্যাপক সমস্যা হবে। জানিনা এরকম আবহাওয়া কতদিন থাকবে।নওগাঁ বদলগাছী আবহাওয়া অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুল হক বলেন, ঘন কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় তাপমাত্রা নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে। তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। আজ নওগাঁর বদলগাছীতে ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা আরও নিচে নামার সম্ভাবনাও রয়েছে।