বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাত ১টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস নওগাঁর পত্নীতলায় দৈনিক করতোয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিরামপুরে খানপুর ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত অপপ্রচারের অভিযোগে দিনাজপুরে এনসিপি নেতার সংবাদ সম্মেলন॥ এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও দরজা বন্ধ হয়ে আসছে সাকিবের ২৪ ঘণ্টার আলোচনায় অমিত শাহ, রাহুলের সাফ কথা— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লেকচার শুনতে আগ্রহী নই খুলনা বরিশাল চট্টগ্রামসহ ৭ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী আজকের মুদ্রার রেট: ১২ আগস্ট ২০২৬ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প

দুই ঘণ্টায় ৪৬ মিনিট যানজটে বসে থাকতে হয়: সিপিডি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৮৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : ঢাকা শহরের প্রধান সমস্যা যানজট। এই যানজটের কারণে প্রতি দুই ঘণ্টায় ৪৬ মিনিটই বসে থাকতে হয় রাস্তায়। ফলে জ্বালানি পুড়ছে, সময় অপচয় হচ্ছে। একই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে উৎপাদনশীলতা। আর বায়ুদূষণের ফলে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হচ্ছে, তার চিকিৎসায় একজন মানুষকে বছরে চার হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘সবুজ নগরীর জন্য দূষণ হ্রাস’ শীর্ষক সংলাপের মূল প্রবন্ধে এসব কথা জানানো হয়। এ সংক্রান্ত প্রেজেন্টশন উপস্থাপন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। সিপিডি নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় গবেষণাপত্র উপস্থাপনা করেন সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সৈয়দ ইউসুফ সাদাত।

উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, সড়ক তৈরিতে প্রধানমন্ত্রীকে ধোঁকা দিয়ে ফাইল পাস করে গাছকাটা হয়। প্রধানমন্ত্রী এখন বুঝে গেছেন। কোনো ফাইল এলেই সেই প্রকল্পে গাছকাটা হচ্ছে কি না, পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে পাস করেন। পরিবেশে সম্মত নয়, এমন অনেক ফাইল ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি।

উপমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের আইন অনেক আছে, কিন্তু বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ নেই। এটা শুধু পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। শ্রদ্ধাশীল না হলে অনেক মত ও পথ থাকলেও লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে না। পরিবেশের উন্নয়নে আগে মানুষকে সচেতন হতে হবে। সচেতন না হলে গোলটেবিলে পরিবেশ রক্ষার কথা বলে বাসায় গিয়ে পরিবেশ দূষণে পলিথিন ব্যবহার করবে। সচেতন না হলে আইন দিয়ে পলিথিন উৎপাদন বন্ধ করা যাবে না, ব্যবহার বন্ধ হবে না। এর থেকে সৃষ্ট পরিবেশেরও ক্ষতি রোধ করা যাবে না।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহামিদা খাতুন বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে বটে, কিন্তু তা হচ্ছে পরিবেশকে ধ্বংস করে। পরিবেশ না বাঁচিয়ে উন্নয়ন করলে সে উন্নয়ন টেকসই হবে না। বক্তারা জানান, পরিবেশ দূষণের প্রধান দুটি উৎস হলো বায়ু ও পলিথিন। এছাড়া নির্মাণ, যানবাহন, শিল্প, ইটভাটা থেকে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। ঘরের বাইরে বা ভেতরে দুই পর্যায়ে হচ্ছে ক্ষতি। ঘরের ভেতরে ইলেকট্রনিক পণ্য, ফ্রিজ, ফ্যান, এমন কি বাজারে ব্যবহৃত পলিথিন ঘরে এসে পরিবেশের ক্ষতি করছে। এ ক্ষতি মারাত্মকভাবে শিশুদেরও ওপর পড়ছে। এ ক্ষতি থেকে মুক্তি পেতে আইনি পদক্ষেপ যেমন দরকার, আবার সচেতনতাও দরকার।

১. ইটভাটা ও কয়লাচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেওয়। পাঁচ বছরের মধ্যে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইটভাটা তুলে দেওয়া।

২. সরকার ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছে, সেগুলো যেন নতুন করে চালু না হয়।

৩. কয়লা থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রণোদনা দেওয়া।

৪. যারা প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা।

৫. প্লাস্টিক পণ্য বাদ দিয়ে বিকল্প পরিবেশ সম্মত কাগজ বা কাপড়ের পণ্য উৎপাদন করতে চাইলে তাদের প্রয়োজনীয় প্রণোদনা দেওয়া। প্রয়োজনে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া।

৬. যে পরিবেশ দূষণ করবে তাকে আর্থিক দণ্ড দিতে হবে। আরও যে সব শাস্তির অধীনে আনা যায়, সেগুলো নিশ্চিত করা।

৭. পরিবেশ সহায়ক নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ভর্তুকি বাড়ানো। এ সম্পর্কিত আইন ও নীতিমালাগুলো আপডেট করা।

৮. এ সম্পর্কিতে আইন প্রয়োগ করতে যে সব প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোকে শক্তিশালী করা, জবাবদিহিতা সৃষ্টি করা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।

৯. আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা। যাতে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ চলে না যায়।

১০. জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩,/রাত ৮:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit